জাভির কারণেই বার্সেলোনায় কুন্দে
সেভিয়ার সঙ্গে আলোচনাটা চূড়ান্ত করে ফেলেছিল ইংলিশ ক্লাব চেলসি। তাদের দাবি দাওয়া মিটিয়ে জুলস কুন্দেকে স্বাক্ষর করানোর খুব কাছেই ছিল তারা। তবে মানাতে পারেননি এ ডিফেন্ডারকে। কারণ তার আগেই নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তাকে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন বার্সেলোনা কোচ জাভি। এই কোচের কারণেই শেষ পর্যন্ত কাতালান ক্লাবে যোগ দেন তিনি।
আগের দিন বৃহস্পতিবার কুন্দেকে দলে টানার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় বার্সেলোনা। প্রায় ৫০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে তাকে টানে দলটি। সঙ্গে অবশ্য ১০ মিলিয়ন ইউরো রয়েছে অ্যাডঅনস হিসেবে। ২০২৭ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনার হয়ে খেলবেন কুন্দে।
নতুন ক্লাবে এসে নিজের লক্ষ্য কথা জানান কুন্দে। চেলসিকে বাদ দিয়ে বার্সেলোনাকে বেছে নেওয়ার কথাও জানান তিনি, 'আমি তাদের সমস্ত প্রতিযোগিতায় লড়াই করে জিততে মুখিয়ে আছি। আমি শিরোপা জিততে চাই। অবশ্যই জাভি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এখানে আসায় তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। আমি তার সঙ্গে বেশ কয়েকবার কথা বলেছি। তার বক্তৃতা আমাকে রোমাঞ্চিত করেছে, আমি মনে করি আমরা একইভাবে ফুটবল দেখি এবং এখন আমি আশা করি এই ক্লাবে একজন নায়ক হতে পারব।'
তবে সবমিলিয়ে দারুণ রোমাঞ্চিত এ ডিফেন্ডার, 'আমি এই সুযোগে খুবই খুশি এবং গর্বিত। আমি রোমাঞ্চিত কারণ আমি একটি খুব বড় ক্লাবে আসছি। আমি সত্যিই দলে যোগ দিতে চেয়েছিলাম এবং আমার সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন শুরু করতে চাই। বার্সা বিশেষ করে খেলাধুলায় আমার ক্যারিয়ারের আরও একটি ধাপ।'
কুন্দে খুব দ্রুত একজন ডিফেন্ডার। খুব দ্রুততার সঙ্গে প্রতিপক্ষকে আটকাতে এবং বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় পরিচিত। এ ফরাসি সেন্টার ব্যাক খেলতে পারেন ফুল ব্যাক হিসাবেও। ওয়ান টু ওয়ান লড়াইয়ে তাকে হারানো বেশ কঠিনই। পিচের উপরে ডিফেন্ড করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, গতিতে বল পুনরুদ্ধারে বিশ্বাস করেন তিনি।
লম্বায় ১৭৮ সেন্টিমিটার বাতাসে একজন সত্যিকারের বিশেষজ্ঞ। লাফ দিয়ে অনেক উচ্চতায় উঠতে পারেন, তাই বাতাসে বলের জন্য লড়াই করা কোন সমস্যা নয় তার জন্য। পিছন থেকে খেলতে এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের হুমকি দিতে স্লাইড করে বল কেড়ে নিতে দারুণ কার্যকরী এ ডিফেন্ডার। এমনকি লাইন ভেঙে আক্রমণে যোগ দিতেও দুইবার ভাবেন না।