'মিলানের জয়ে সে কিছুই করেনি, ইব্রাহিমোভিচকে খোঁচা তার সাবেক সতীর্থের

By স্পোর্টস ডেস্ক

খোঁচাটা আগে দিয়েছিলেন জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচই। সেই মে'তে। এসি মিলানের হয়ে স্কুদেত্তো পুনরুদ্ধারের পর। তবে তার জবাবটা অনেক দিন পর দিলেন হাঁকান ক্যালহানোগ্লু। মিলানের স্কুদেত্তো জয়ে ইব্রাহিমোভিচের কোনো অবদান নেই বলেই মন্তব্য করেন এ তুর্কি ফরোয়ার্ড।

অথচ গত মৌসুমে ক্যালহানোগ্লুর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খেলেছেন ইব্রাহিমোভিচ। স্কুদেত্তো জয়ের খুব কাছাকাছি ছিলেন তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েও পারেননি তারা। এদিকে ২০২১ সালের জুনে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয় ক্যালহানোগ্লুর। তাকে চুক্তি নবায়নের অনেক অনুরোধ করেছিলেন ইব্রা। কিন্তু তার অনুরোধ রাখেননি, উল্টো যোগ দেন রাইভাল দল ইন্টার মিলানে।

রাগটা হয়তো তখন থেকেই ছিল ইব্রার। স্কুদেত্তো জয়ের পর উদযাপনের মঞ্চে খোঁচা মেরে বলেছিলেন, 'কেউ ক্যালহানোগ্লুকে একটা মেসেজ দাও'।

স্কুদেত্তো ফিরিয়ে আনার সংকল্প নিয়ে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে এসি মিলানে ফিরে আসেন ইব্রাহিমোভিচ। প্রথম বছর না পারলেও দ্বিতীয় বছর ঠিকই কাজটি করেন। ১১ বছর পর স্কুদেত্তো ফিরে মিলানের ঘরে। যদিও এ মৌসুমে অধিকাংশ সময় মাঠের বাইরে থাকতে হয় তাকে। আর সেটা নিয়েই ক্যালহানোগ্লু দিয়েছেন পাল্টা খোঁচা।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টিভিবো স্পরের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, 'তিনি একজন ৪০ বছর বয়সী মানুষ, ১৮ নয়। তাই আমি তার বয়সে এমন কিছু করব না। তিনি শুধু মনোযোগের কেন্দ্র হতে পছন্দ করেন। তিনি এই মৌসুমে স্কুদেত্তো জয়ে অবদান রাখেননি, তিনি খুব কমই খেলেছেন। সে যাইহোক ফোকাস নেওয়ার জন্য তিনি সবকিছু করবেন।'

'তাছাড়া, তিনিই আমাকে সবসময় ফোন করেন, ডিনারে বা মোটরবাইকে যেতে বলেন। তিনি তার বইতেও আমাকে নিয়ে লিখেছেন। তাকে কিছু লিখতে হবে, নইলে পৃষ্ঠা ফাঁকা হয়ে যেত। সত্যি কথা বলতে কি, আমাকে বিরক্ত না করাই ভালো,' যোগ করে আরও বলে ক্যালহানোগ্লু।

এখন দেখার বিষয়, ক্যালহানোগ্লুর এ মন্তব্যের জবাবটা কীভাবে দেন ইব্রাহিমোভিচ।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ সময় পর স্কুদেত্তো ফিরে পাওয়ায় এবার মিলানের উদযাপন ছিল বাঁধভাঙা। বিশেষ করে ইব্রাহিমোভিচ তো সবার নজর কেড়ে নেন। স্কুদেত্তো হাতে পাওয়ার আগে গলায় বিজয়ীর মেডেল ঝুলিয়ে যখন কয়েকজন ফুটবলার মঞ্চে দাঁড়িয়ে, তখন মাঠে উপস্থিত সবার দৃষ্টি ঘুরে যায় টানেলে। সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন ইব্রাহিমোভিচ। তার হাতে শ্যাম্পেনের বোতল, আর মুখে জ্বলছে চুরুট! শুধু তাই নয়, দলের সঙ্গে উদযাপনের র‍্যালিতেও সবার আগে ছিলেন এ সুইডিশ তারকা।