মেসি-নেইমার-রামোসের গোলে ফরাসি সুপার কাপ পিএসজির

By স্পোর্টস ডেস্ক

লিওনেল মেসি ও নেইমারের পাশাপাশি জালের ঠিকানা খুঁজে নিলেন সার্জিও রামোস। ফলে কিলিয়ান এমবাপের অনুপস্থিতি একটুও টের পেল না পিএসজি। নঁতেকে উড়িয়ে ফরাসি সুপার কাপের শিরোপা জেতার উল্লাসে মাতল তারা।

রোববার রাতে ইসরায়েলের তেল আবিবের ব্লুমফিল্ড স্টেডিয়ামে ৪-০ গোলে জিতেছে লিগ ওয়ানের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। অর্থাৎ নতুন মৌসুমের প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচেই শিরোপার স্বাদ পেল ক্লাবটি। গত এক দশকে এই নিয়ে নয়বার সুপার কাপ জিতল তারা। আর সবমিলিয়ে এই প্রতিযোগিতায় এটি তাদের রেকর্ড ১১তম শিরোপা।

গত জুলাইতে পার্ক দে প্রিন্সেসের ক্লাবটির দায়িত্ব নেওয়া ৫৫ বছর বয়সী ক্রিস্তফ গালতিয়ের শুরুটাও হলো দারুণ। পিএসজির কোচ হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে অভিষেকেই শিরোপা জিতলেন তিনি।

গোটা ম্যাচে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল প্যারিসিয়ানদের। ৬২ শতাংশ সময় বল পায়ে রেখে গোলমুখে ১৫টি শট নিয়ে তারা লক্ষ্যে রাখে আটটি। অন্যদিকে, আক্রমণ সামলাতে হিমশিম খাওয়া নঁতের আটটি শটের মধ্যে লক্ষ্যে ছিল কেবল দুটি।

নিষেধাজ্ঞার কারণে এই ম্যাচে ছিলেন না তরুণ ফরাসি স্ট্রাইকার এমবাপে। তবে তার শূন্যতা টের পেতে দেননি বাকিরা। বিশেষ করে, ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নেইমারের পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া। জোড়া গোল আসে তার পা থেকে। পাশাপাশি আর্জেন্টাইন মহাতারকা মেসির গোলেও অবদান রাখেন তিনি।

ম্যাচের ২২তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে থ্রু বল বাড়ান নেইমার। সেটা আটকানোর চেষ্টা করেও পারেননি নঁতের ডিফেন্ডার নিকোলা পালোয়া। তার পায়ে লাগার পর ডি-বক্সে বল পেয়ে যান মেসি। গোলররক্ষকে কাটিয়ে ডান পায়ের কোণাকুণি শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নেইমার। বিরতির পর আরও দুবার নঁতের জালে বল পাঠায় পিএসজি। ম্যাচের ৫৭তম মিনিটে চমৎকার ব্যাকহিলে গোল করেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার রামোস।

ম্যাচের ৮২তম মিনিটে পিএসজির বড় জয় নিশ্চিত করেন নেইমার। স্পট-কিক থেকে নিশানা ভেদ করেন তিনি। ডি-বক্সে নেইমার নিজেই ফাউলের শিকার হলে রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি। তাকে ফেলে দেওয়া জ্যাঁ-চার্লস কাস্তেলেতো সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।