টুইটারে সবচেয়ে বেশি গালি দেওয়া হয় রোনালদোকে
বয়সটা ৩৭ পার হয়েছে। আগের সেই ধার অনেকটাই হারিয়েছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। ক্যারিয়ারের শেষ দিকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফিরে এসে দলের সেরা পারফর্মারও তিনি। কিন্তু তারপরও সমর্থকদের রোষানলে নিয়মিতই পড়ছেন তিনি। এক জরিপে দেখা গেছে সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি গালি দেওয়া এ পর্তুগিজ তারকাকে।
রোনালদো আসার পর গত মৌসুমে ইংলিশ লিগে লড়াইটাও করতে পারেনি ইউনাইটেড। বাকি সব প্রতিযোগিতাতেও একই অবস্থা। অথচ ঠিক আগের মৌসুমেই লিগে রানার্সআপ হয়েছিল তারাই। অনেকেই রোনালদোর আগমনে দলের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে বলে দাবি করেন। নিজের পারফরম্যান্স বজায় রাখতে দলের হয়ে খেলেন না বলেই দাবি তাদের।
অফকমের এক গবেষণায় দেখা যায়, গত মৌসুমের শুরু থেকে গত জানুয়ারি পর্যন্ত ২.৩ মিলিয়ন টুইটের প্রায় ৬০ হাজারই ছিল গালাগালির। আর এই গালাগালির অর্ধেকই ছিল ১২ জন খেলোয়াড়কে উদ্দেশ্য করে। যাদের আট জনই আবার ইউনাইটেডের। অ্যালান টুরিং ইনস্টিটিউটের এই গবেষণায় দেখা গেছে এরা প্রায় সবাই দায়িত্বের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন।
২০২১ সালের ১৩ আগস্ট থেকে ২০২২ সালের ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের এ জরিপে রোনালদোকে গালি দেওয় হয় ১২ হাজার ৫২০ পোস্টে। এরপরই আছেন ইউনাইটেডের আরেক তারকা হ্যারি মাগুয়েইর। তাকে বাজে মন্তব্য করা হয়ে আট হাজার ৯৫৪ বার। এরপর আছেন মার্কাস রাসফোর্ড, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, হ্যারি কেইন ও ফ্রেদ।
অফকম গ্রুপের ব্রডকাস্টিং ও অনলাইন কন্টেন্টের পরিচালক কেভিন বাখর্স্ট এ প্রসঙ্গে বলেছেন, 'এই ফলাফলগুলো সুন্দর খেলাটির অন্ধকার দিককেই তুলে ধরে। খেলাধুলা কিংবা বৃহত্তর সমাজে অনলাইন অপব্যবহারের কোনো স্থান নেই। এটা মোকাবিলা করার জন্য প্রয়োজন দলীয় প্রচেষ্টা।'
এদিকে চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার জন্য ইউনাইটেড ছাড়তে চাইছেন পাঁচ বারের ব্যলন ডি'অর জয়ী রোনালদো। দলের এমন পরিস্থিতিতে এমন সিদ্ধান্তে যেন আরও খেপেছেন সমর্থকরা। তার সবটাই যেন সামাজিক মাধ্যমে উগলে দিয়েছেন। এ মৌসুমের জরিপে হয়তো তার সংখ্যা অনেক বেশিই হবে।