টোকিও’তে জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে চিত্রকলা প্রদর্শনী
টোকিওর 'মেট্রোপলিটন আর্ট মিউজিয়াম' ওয়েনো আর্ট গ্যালারিতে সপ্তাহব্যাপী জাপান–বাংলাদেশ যৌথ চিত্রকলা প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া প্রদর্শনীটি আগামী ৫ অক্টোবর শেষ হবে। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে। 'শিনকিয়ূকু আর্ট এসোসিয়েশন' আয়োজিত যৌথ চিত্রপ্রদর্শনী'র এটি ২৭তম আয়োজন।
এবারের প্রদর্শনীতে ২৭১জন চিত্রশিল্পীর ৩৮৯টি চিত্রকর্ম জায়গা পেয়েছে। এরমধ্যে ১০ জন বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী এবং ১০০ জন শিশুশিল্পীর চিত্রকর্ম আছে। এছাড়াও ঘানা, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া, নেপাল এবং স্থানীয় জাপানি চিত্রশিল্পীদের চিত্রকর্মও সেখানে জায়গা পেয়েছে।
এখানে জাপান প্রবাসী বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী মোহাম্মদ সোলায়মান হোসাইন (সালমান) এর মাউন্ট ফুজি এবং ওশিনো হাক্কাই'র ৮টি প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট পুকুরের নৈসর্গিক সৌন্দর্যকে কেন্দ্র করে আঁকা ড্রোনভিউয়ের ৯টি চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, এই জায়গাগুলো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ স্বীকৃত।
সালমানের শিল্পকর্মের পাশাপাশি বাংলাদেশের আরও ১০ জন শিল্পীর ১০টি চিত্রকর্ম প্রদর্শন ও পুরষ্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশের ১০০ শিশুশিল্পীর ফুজি পাহাড়ের ওপর ভিত্তি করে অঙ্কিত চিত্রকর্ম এবং জাপানিজ শিশুদের লেখা কবিতা প্রদর্শিত হচ্ছে।
আজ ৩ অক্টোবর রোববার ছিল এই প্রদর্শনীর পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শিনকিয়োকু আর্ট এসোসিয়েশনের কর্মকর্তার ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জাপানে নিয়োজিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাহাবুদ্দিন আহমেদ, নেপাল দূতাবাসের কাউন্সিলর আমবিকা জোশি এবং জাপানের ক্ষমতাসীন জোট এলডিপি'র শিক্ষা, সংস্কৃতি,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চেয়ারম্যান মাসাআকি আকাইকে।
প্রদর্শনীতে শিল্পী মোহাম্মদ সোলায়মান হোসাইন (সালমান) নেপাল অ্যাম্বেসি অ্যাওয়ার্ড এবং ওশিনো মুরা সিটি মেয়র অ্যাওয়ার্ড জিতে নেন। এছাড়াও, ৩ জাপানি চিত্রশিল্পী বাংলাদেশ দূতাবাস পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
শিনকিয়ূকু আর্ট এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ এবং নেপাল দূতাবাসকে দু'টি চিত্রকর্ম উপহার দেওয়া হয়। রাষ্ট্রদূত সাহাবুদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের পক্ষে উপহার গ্রহণ করেন।
rahmanmoni@gmail.com