শিক্ষার্থী ধর্ষণ ও হত্যা মামলা

আনভীর ও ৭ জনের বিরুদ্ধে ৩১ মার্চের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমার নির্দেশ

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

রাজধানীর গুলশানে কলেজ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর ও আরও ৭ জনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে জমা দিতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) আবারও নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার এক আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই পরিদর্শক মো. আলাউদ্দিন আজ রোববার প্রতিবেদন দাখিলে ব্যর্থ হওয়ায় ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরা এ আদেশ দেন।

এ ছাড়া, আনভীরের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়ে আদেশ দিতে একই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৯ বার সময় চাইলো পিবিআই। গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আরেকটি আদালত পিবিআইকে আজকের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

গুলশানের বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর গত বছরের ২৬ এপ্রিল ২১ বছর বয়সী কলেজছাত্রীর বড় বোন বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেছিলেন। এজাহারে আনভীরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা আবুল হাসান ১৯ জুলাই ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। ১৮ আগস্ট আদালত চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন এবং আনভীরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

এরপর ৬ সেপ্টেম্বর কলেজছাত্রীর বড় বোন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ এ ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এনে এই মামলা করেন।

মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ওরফে শাহ আলম এবং আরও ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

এই ৬ জন হলেন, শাহ আলমের স্ত্রী আফরোজা বেগম, আনভীরের স্ত্রী সাবরিনা সায়েম, মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াশা, সাইফা রহমান মীম, ইব্রাহিম আহমেদ রিপন ও তার স্ত্রী শারমীন।

তাদের মধ্যে পিয়াসা ও মিম গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে জেলহাজতে আছেন এবং আনভীরের স্ত্রী সাবরিনা সায়েম ও ইব্রাহিম আহমেদ রিপন হাইকোর্টের আদেশে জামিনে আছেন।

কিন্তু, আদালতে আত্মসমর্পণের পর আনভীরকে আগাম জামিন দিতে অস্বীকার করেছিলেন হাইকোর্ট।