কার্টুনিস্ট কিশোরের মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ২৫ এপ্রিল

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের হওয়ায় মামলায় কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরসহ আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পিছিয়েছেন আদালত।

আসামিপক্ষের আইনজীবীর আবেদন আমলে নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস শামস জগলুল হোসেন আগামী ২৫ এপ্রিল সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করে আদেশ দেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন, হাঙ্গেরি ভিত্তিক উদ্যোক্তা জুলকারনাইন সায়ের খান ওরফে সামি, সুইডিশ-বাংলাদেশি সাংবাদিক তাসনিম খলিল, বিএলই সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডার-পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন, রাজনৈতিক-নাগরিক সংগঠন রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ইসলাম, আশিক ইমরান এবং স্বপন ওয়াহেদ।

সময় চেয়ে করা আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিচারিক আদালতের অভিযোগ গঠনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করা হয়েছে। যে কোনো সময় রিট আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে। যে কারণে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পেছানো দরকার।

পর পর দুটি শুনানিতে অনুপস্থিত থাকায় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি আদালত কিশোরের জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেন। ওই দিন আদালত কিশোরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

আসামিদের মধ্যে মিনহাজ ও দিদারুল বর্তমানে জানিয়ে আসেন। শুনানির সময় তারা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।

গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর আদালত এই মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। এর আগে ১৩ জুন মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের উপপরিদর্শক মো. আফছার আহমেদ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যু হলে তার নাম অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাংবাদিক শাহেদ আলম, জার্মানিভিত্তিক ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন ও ফিলিপ শুমাখারের নাম অভিযোগপত্র থেকে আদালত বাদ দিয়েছেন।

২০২০ সালে রমনা থানায় কার্টুনিস্ট কিশোর এবং ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের হয়।