কুড়িগ্রামে মা ও ৫ মাসের শিশুকে হত্যা
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে এক মা ও তার ৫ মাস বয়সী ছেলেকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার সকালে রৌমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের নতুনবন্দর কাজিপাড়া গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে আজ সকালে কাজিপাড়া গ্রামে একটি পুকুরপাড়ে শিশু হাবিব ইসলামের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটির মা হাফসা বেগমকেও সেখানে গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানান রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোন্তাছের বিল্লাহ ।
নিহত হাফসা বেগমের স্বামী সাহেব আলী (৩০) পেশায় কৃষি শ্রমিক। ধান কাটার কাজে গত এক মাস ধরে তিনি টাঙ্গাইলে অবস্থান করছেন। স্বামী বাইরে থাকায় হাফসা বেগম তার শিশু সন্তানকে নিয়ে নতুনবন্দর কাজিপাড়া গ্রামে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় কৃষক আব্দুর সবুর ডেইলি স্টারকে জানান, শনিবার সকালে তিনি ধান কাটতে খেতে যান। খেতের পাশে পুকুরপাড়ে এক নারীকে পড়ে থাকতে দেখে তিনি চিৎকার দেন। লোকজন ওই মহিলাকে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার করেন। পাশেই শিশুটির রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে ছিল।
নিহতের ভাই হাসিনুর রহমান ডেইলি স্টারকে বলেন, প্রায় দেড় বছর আগে তার বোনের সঙ্গে একই উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের ওকড়াকান্দা গ্রামের বাহাদুর মিয়ার ছেলে সাহেব আলীর বিয়ে হয়। সাহেব আলী ধানকাটা কাজের জন্য বাইরে গেলে তার বোন ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে এসেছিলেন। কারা কেন আমার বোন ও ভাগনেকে হত্যা করেছে বুঝতে পারছি না। আমার বোনের সঙ্গে কারো মনোমালিন্য ছিল না।
রৌমারী থানার ওসি মোন্তাছের বিল্লাহ ডেইলি স্টারকে বলেন, পুলিশ হাফসা বেগম ও তার শিশু সন্তান হাবিব ইসলামের লাশ উদ্ধার করেছে। নিহতের পরিবারের লোকজন মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ঘটনার তদন্তে পুলিশ ইতোমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে।