বায়ুদূষণ কমাতে পরিকল্পনা চান হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্ষয় হয়ে যাওয়া এয়ারশেড চিহ্নিত করে তার তালিকা তৈরি করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, দেশে বায়ু দূষণের জন্য মূলত যেসব কার্যক্রম দায়ী তার তালিকা তৈরির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

একটি রিট আবেদনের বিপরীতে আজ মঙ্গলবার হাইকোর্ট এ নির্দেশ দেন।

কর্তৃপক্ষকে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন, সুনির্দিষ্ট সময়সীমাসহ একটি প্রতিকারমূলক পরিকল্পনা তৈরি করতে, যার মাধ্যমে উপযুক্ত স্থানে বাতাসের গুণগত মান নিরীক্ষা করা হবে এবং এমন একটি ব্যবস্থা প্রচলন করা হবে, যার মাধ্যমে মানুষকে অস্বাস্থ্যকর ও ক্ষতিকারক বাতাসের সংস্পর্শ থেকে রক্ষা করা যাবে।

আবেদনকারীর পক্ষের আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, উল্লেখিত নির্দেশনার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইট পোড়ানোর বিকল্প খুঁজে বের করার জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে।

এ নির্দেশনাগুলো ৪ মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করে হাইকোর্টের কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে বলেও জানান রিজওয়ানা।

এ ছাড়াও, হাইকোর্ট একটি রুল জারি করে কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চেয়েছেন, কেন তাদের (কর্তৃপক্ষের) বায়ুদূষণ প্রতিকার ও জনস্বাস্থ্যকে সুরক্ষিত রাখার ব্যর্থতাকে অবৈধ ঘোষণা করা হবে না।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) দায়ের করা রিট আবেদনের বিপরীতে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের সমন্বিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই নির্দেশনা ও রুল জারি করেন।