মনোনয়ন বাণিজ্য নিয়ে মন্তব্য, কলিমুল্লাহসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব সংবাদদাতা, কুমিল্লা

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত ৬০ কোটি টাকা দিয়ে মনোনয়ন কিনেছেন--ইউটিউবে প্রচার করা টকশোতে এই বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিষদের (জানিপপ) সভাপতি অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, বিএনপি নেতা মনিরুল হক চৌধুরীসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

আজ বুধবার চট্টগ্রামের সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জহিরুল কবিরের আদালতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এই মামলা করেন কুমিল্লা মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আবদুল্লা আল মাহমুদ সহিদ।

বাদীর আইনজীবী ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন। মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ জুলাই। মামলার অপর আসামি হলেন টকশোর সঞ্চালক হাসিনা আক্তার।

মামলার আবেদনে বলা হয়, গত ১৩ মে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মনোনয়ন বোর্ডের সভার সিদ্ধান্তে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মেয়র পদে আরফানুল হক রিফাতকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। আরফানুল মনোনয়ন পাওয়ার পর আসামিরা গত ১৯ এপ্রিল বিএনপি-জামায়াতের আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায় লন্ডন থেকে পরিচালিত ইউটিউব চ্যানেল টেবিল টক ইউকের টকশোতে অংশ নেন। টকশোতে মামলার বাদী এবং আরফানুলের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত বিষোদগার এবং অপপ্রচার চালানো হয়। অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ ওই টকশোতে বলেন, আরফানুল হকের নমিনেশন এনসিও করতে ১৩ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। পরে শুনলাম যে এটা বেড়ে ২০ কোটি টাকায় গেছে। পরে যে হইচইটা হলো এই টাকার পরিমাণটা নাকি ৬০ কোটি টাকায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা টকশোতে মানহানিকর বক্তব্য দেন।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, একই টকশোতে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মো. মনিরুল হক চৌধুরী নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর মিথ্যা উক্তিকে সমর্থন করে বাদীর, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যদের সম্মানহানি করেছেন।