স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিচার শুরু

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

রিজেন্ট হাসপাতাল ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন ঢাকার একটি আদালত।

মামলায় অপর ৫ আসামি হচ্ছেন—সাবেক পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আমিনুল হাসান, উপপরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. শফিউর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিসার্চ অফিসার ডা. মো. দিদারুল ইসলাম এবং রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহেদ করিম।

আজাদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপর ৪ জন জামিনে রয়েছেন এবং শাহেদ জেল হেফাজতে আছেন। ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান অভিযোগ পড়ে শোনানোর পর আসামিদের সবাই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন এবং ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।

দুর্ণীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, এর আগে তাদেরকে মামলার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য জমা দেওয়া আবেদন খারিজ করে দেন বিচারক।

বিচারক মামলার বিচার শুরুর জন্য ৪ জুলাই দিন ধার্য করেছেন।

এই মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও লাইসেন্স ছাড়াই চিকিৎসার নামে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

তদন্তকালে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় অভিযোগপত্রে আবুল কালাম আজাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অভিযোগপত্রে তাকে 'পলাতক' দেখানো হয়েছে।

২০২০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আজাদের নাম বাদ দিয়ে শাহেদসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

মামলার বিবরণীতে বলা হয়, অভিযুক্তরা বন্ধ হয়ে যাওয়া রিজেন্ট হাসপাতালের লাইসেন্স নবায়ন না করেই সেটিকে ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে রূপান্তরিত করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ উপায়ে বিভিন্ন সুবিধা নিয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, সরকার পরিচালিত একটি ল্যাব নিপসোমে করোনা রোগীদের নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে তারা এক কোটি ৩৭ লাখ টাকারও বেশি আত্মসাৎ করেছেন।