২২২ কোটি টাকা পাচার মামলায় সম্রাটের জামিন আবেদন নাকচ
সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার ক্যাসিনোতে প্রায় ২২২ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে করা মামলায় বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
আজ বুধবার মামলায় জামিন চেয়ে সম্রাটের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী আবেদন করলে বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান এ আদেশ দেন।
এর আগে বিভিন্ন তারিখে অর্থ পাচার, অস্ত্র ও মাদক মামলায় সম্রাটের জামিন আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছিল।
আজ সম্রাটকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে আদালতে আনা হয়।
এ মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ১২ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত।
২০২০ সালের ৭ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, সম্রাট সিঙ্গাপুরের দুটি ক্যাসিনোতে ২২১ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং মালয়েশিয়ার একটি ক্যাসিনোতে ৫০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন।
ক্যাসিনো থেকে সম্রাট ১২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
২ কোটি ৯৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দুদক সম্রাটের বিরুদ্ধে ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা করেছিল।
সে বছর ৬ অক্টোবর র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন কুমিল্লায় ভারতীয় সীমান্তের কাছে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে যুবলীগের ঢাকা দক্ষিণ শাখার তৎকালীন সভাপতি সম্রাট এবং একই ইউনিটের সাবেক সহ-সভাপতি আরমানকে গ্রেপ্তার করে।
এর আগে র্যাব ঢাকার বিভিন্ন স্পোর্টিং ক্লাবে অভিযান চালিয়ে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা চালানোর ঘটনা সামনে আনে। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হলে, তাকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

