নারায়ণগঞ্জে লঞ্চডুবি: শীতলক্ষ্যা থেকে আরও ১ শিশুর মরদেহ উদ্ধার
নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে যাত্রীবাহী লঞ্চডুবির ঘটনায় নিখোঁজ আরও ১ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মরদেহ উদ্ধারের সংখ্যা ১০।
আজ মঙ্গলবার সকালে বন্দর উপজেলার হরিপুর পাওয়ার প্লান্ট এলাকায় নদীতে ভাসমান অবস্থায় ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আরোহী বর্মণ রাজবংশী নামের ওই শিশু মুন্সিগঞ্জ ইস্পাহানীচর এলাকার জয় বর্মণ রাজবংশীর মেয়ে।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, 'লঞ্চডুবির ঘটনায় পরিবারের দাবি অনুযায়ী নিখোঁজ ৪ জনের সন্ধানে আজ সকাল থেকে নদীতে টহল দেন ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা। সকাল ৯টার দিকে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর সামনে ভাসমান অবস্থায় নিখোঁজ আব্দুল্লাহ আল জাবেরের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এক ঘণ্টা আগে বন্দর উপজেলার হরিপুর পাওয়ার প্লান্ট এলাকায় নদীতে ভাসমান অবস্থায় আরোহীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। লঞ্চ ডুবে যাওয়ার সময় ও পরে জোয়ার-ভাটা হয়েছে। তাই মরদেহ এতো দূরে চলে গেছে। এখনো নিখোঁজ আছেন ২ জন। তাদের সন্ধানে উদ্ধার কাজ চলছে।'
আব্দুল্লাহ আল আরেফিন আরও বলেন, 'মরদেহ নৌপুলিশের মাধ্যমে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।'
আরোহীর খালু রিপন বর্মণ ডেইলি স্টারকে বলেন, 'শুক্রবার সকালে ২ বোন স্মৃতি ও আরোহী বন্দর উপজেলার একরামপুরে আমার বাসায় বেরাতে আসে। রোববার দুপুরে এই লঞ্চে বাড়ি যাচ্ছিল তারা। লঞ্চডুবির রাতেই বড় বোন স্মৃতি বর্মণ রাজবংশীর (১৯) মরদেহ উদ্ধার হয়। আজকে ছোট বোনের মরদেহ পেয়েছি।'
গত রোববার দুপুর সোয়া ২টার দিকে সদর উপজেলার কয়লাঘাট এলাকায় সিটি গ্রুপের এমভি রূপসী-৯ কার্গো জাহাজের ধাক্কায় যাত্রীবাহী এম এল আফসার উদ্দিন লঞ্চটি ডুবে যায়। গত ২ দিনে ৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। যাদের মধ্যে ২ শিশু, ৪ নারী ও ২ পুরুষ আছেন।