বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: ২ জেলের মরদেহ ও ৩ জনকে জীবিত উদ্ধার

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাগেরহাট

সুন্দরবনের কাছে বঙ্গোপসাগরে ঝড়ে ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ২ জেলে মামুন শেখ ও ইসমাইল শেখের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

আজ শনিবার সন্ধ্যায় দুবলার চরের দক্ষিণে ডোবজাহাজ চর থেকে কোস্টগার্ডের সদস্যরা জেলেদের মরদেহ উদ্ধার করে। 

এর আগে, শুক্রবার রাতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলার ডুবে অন্তত ২৭ জেলে নিখোঁজ হন। তবে কতগুলো ট্রলার ডুবে যায় সে বিষয়ে দ্য ডেইলি স্টারকে সঠিক তথ্য জানাতে পারেনি কোস্টগার্ড। 

শনিবার সকাল থেকে নিখোঁজ জেলে ও ট্রলার উদ্ধারে অভিযান শুরু করে বন বিভাগ, কোস্টগার্ড ও জেলেরা। এ ঘটনায় এখনো অন্তত ২০ জেলে নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।

নিহতরা হলেন, বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার মামুন শেখ ও পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়ার ইসমাইল শেখ।

এ ছাড়া শনিবার সকালে বঙ্গোপসাগর থেকে আব্দুল্লাহ, রাজু শেখ ও ইয়াকুব আলী নামের ৩ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সদর দফতরের মিডিয়া অফিসার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বি এন আবদুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের দুবলা জেলেপল্লী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রহ্লাদ চন্দ্র রায় দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, শুক্রবার রাতে আকস্মিক ঝড়ে বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন স্থানে ১৮টি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যায়। ট্রলারের বেশির ভাগ জেলে সাঁতার কেটে নিরাপদে পৌঁছান। এরপরও বেশ কয়েকজন জেলে নিখোঁজ হন। শনিবার সকালে জেলেরা, বন বিভাগ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে অভিযান চালায়। সন্ধ্যায় মামুন (৪০) ও ইসমাইল (৩০) এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জেলেদের মৃতদেহ তাদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।

প্রহ্লাদ চন্দ্র রায় আরও জানান, এখনো ৫টি ট্রলার নিখোঁজ রয়েছে। ওই ট্রলারগুলোতে বেশ কয়েকজন জেলে ছিলেন। তাদের অবস্থা সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। জীবিত উদ্ধার হওয়া জেলেরা নিখোঁজ ৫টি ট্রলার সম্পর্কে কিছু বলতে পারেননি।