মুন্সিগঞ্জে দগ্ধ ২ সন্তানের পর বাবার মৃত্যু, আশঙ্কাজনক অবস্থায় মা

নিজস্ব সংবাদদাতা, মুন্সিগঞ্জ

দুই সন্তানের পর মুন্সিগঞ্জে দগ্ধ মো. কাউছার খানও (৪২) মারা গেছেন।

আজ শনিবার সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় কাউছারের মেয়ে নহর খান (৩) ও রাত ৯টায় ছেলে মো. ইয়াছিন খানের (৬) মৃত্যু হয়। তারাও দগ্ধ ছিল।

মো. কাউছার খান মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর শাহ সিমেন্ট ফ্যাক্টরির রিভার ট্রান্সপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার ভোর সোয়া ৪টায় মুন্সিগঞ্জ সদরের পশ্চিম মুক্তারপুর এলাকার গ্যাসের চুলা থেকে অসাবধানতার কারণে গ্যাস বের হয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের ৪ জন সদস্য দগ্ধ হয়েছিলেন। কাউছারের স্ত্রী শান্তা বেগম (৩৮) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

এস এম আইউব হোসেন জানান, মৃত কাউছার খানের শরীরের ৫৪ শতাংশ দগ্ধ ছিল। তার শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ায় মৃত্যু হয়। ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। কাউছারের মেয়ে মৃত নহর খানের ৩২ শতাংশ ও তার ছেলে মৃত ইয়াছিনের ৪৪ শতাংশ দগ্ধ ছিল। শান্তার শরীরের ৪৮ শতাংশ দগ্ধ। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

মুন্সিগঞ্জ তিতাস গ্যাসের সহকারী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম তুহিন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অসাবধানতাবশত পরিবারটি গ্যাসের চুলা চালু রেখেই রাতে ঘুমিয়েছিল। রাতে কোনো কারণে তারা বৈদ্যুতিক সুইচ অন করলে সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে।