লঞ্চে আগুন: ৩৭ মরদেহ বরগুনা হাসপাতালে, ৫ জনের পরিচয় শনাক্ত
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৩৭ যাত্রীর মরদেহ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছেছে।
গতরাত সোয়া ১১টার দিকে বরগুনা জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে মরদেহগুলো ঝালকাঠি থেকে বরগুনায় পৌঁছায়।
এদের মধ্যে ৫ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। ৪ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসন মরদেহগুলো গ্রহণের সময় বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাসানুর রহমান রিমন, বরগুনা জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. মারিয়া হাসান, বরগুনা পৌরসভার মেয়র কামরুল আহসান মহারাজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরিচয় শনাক্ত হওয়া যে মরদেহটি এখনো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি, সেটি বরগুনা সদর উপজেলা পরিরখাল এলাকার জাহানারা বেগমের। তার মরদেহ আজ শনিবার বরগুনা সদর হাসপাতালের মর্গ থেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
জাহানারার স্বজনরা দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'মরদেহ শনাক্ত করতে পেরেছি। নিজেরা নিয়ে দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করব।'
সিভিল সার্জন ডা. মারিয়া হাসান ডেইলি স্টারকে বলেন, 'মরদেহগুলো রাতে বরগুনা হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সকাল ১০টা পর্যন্ত মরদেহ শনাক্তকরণের জন্য রাখা হবে। যে মরদেহগুলো শনাক্ত করা যাবে না, সেগুলো সরকারি নিয়ম অনুসারে দাফন করা হবে।'
জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান ডেইলি স্টারকে বলেন, 'হাসপাতাল থেকে মরদেহ শনাক্ত করার জন্য স্বজনদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।'
লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বরগুনায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, 'কন্ট্রোল রুমের মোবাইল নম্বর ০১৭১৬৭০০২৭০ এবং ফোন নম্বর ০২৪৭৮৮৮৬২৪৮।'