মহাসড়কে চাঁদাবাজি, পরিদর্শক না বুঝে ভুল বলেছেন: পুলিশ সুপার
মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশ ছাড়া অন্য কোনো সংগঠন বা ব্যক্তি চাঁদাবাজি করলে তার দায় হাইওয়ে পুলিশ নেবে না—ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার পরিদর্শক এ এস এম আসাদউজ্জামান দেওয়া এমন বক্তব্যের পরে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
এ প্রসঙ্গে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, এ এস এম আসাদউজ্জামান না বুঝে ভুল করে ফেলেছেন।
তিনি আরও বলেন, 'ওই থানার ওসি সম্প্রতি বদলি হয়ে গেছেন। এ এস এম আসাদউজ্জামানের কাছে দায়িত্ব দিয়ে গেছেন তিনি। আসাদউজ্জামান সংবাদ সম্মেলন করার ক্ষমতা রাখেন না। এ জাতীয় সম্মেলন করার অভিজ্ঞতাও তার নেই। না বুঝে তিনি একটি ভুল করে ফেলেছেন। বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।'
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আসাদউজ্জামান বলেন, 'আগে এ থানার অফিসার ইন চার্জের দায়িত্বে থেকে যারা বিভিন্ন পরিবহন, বেনার (যে গাড়ি কোনো কোম্পানির নামে ভাড়ায় চলে) বিভিন্ন টোকেন বা মান্থলি বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বা যাদের নামে উৎকোচ আদায় হতো, তাদের এসব কাজ আজ থেকে বন্ধ ঘোষণা করছি। যদি এ থানার কোনো পুলিশ সদস্য এ জাতীয় ঘটনায় জড়িত থাকেন, তবে তার দায়-দায়িত্ব তাকেই বহন করতে হবে। মহাসড়কে কোনোরকম চাঁদাবাজি চলবে না মর্মে অঙ্গীকার করছি।'
'তবে বেপরোয়া গতি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরযান এবং মোটরসাইকেলে হেলমেট ছাড়া ৩ জন আরোহী ও অবৈধ ত্রি-হুইলারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে', যোগ করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যের শেষ অংশে আসাদউজ্জামান বলেন, 'হাইওয়ে পুলিশ ছাড়া অন্য কোনো সংগঠন বা ব্যক্তি মহাসড়কে চাঁদাবাজি করলে তার দায়-দায়িত্ব হাইওয়ে পুলিশ গ্রহণ করবে না।'
বিষয়টি আলোচনায় আসার পর এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আসাদউজ্জামান বলেন, 'এ চিঠি দিয়ে আমি বোঝাতে চেয়েছি, ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে চাঁদাবাজি করবে না। আমাদের কোনো সদস্য চাঁদাবাজি করলে তার দায় আমরা আফিসিয়ালি নেব না। তবে ভাষাগত কিছু ত্রুটি হতে পারে। সেটি আপনারা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।'