সংস্কারের পরও যান চলাচলে অনুপযোগী হাতীবান্ধার ফ্লাড বাইপাস সড়ক
প্রায় ৪৫ লাখ টাকা খরচে মাটি ভরাট করে সংস্কারের পরও চলাচলে অনুপযোগী হয়ে আছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ফ্লাড বাইপাস সড়কটি।
হাতীবান্ধার দোয়ানী এলাকায় ফ্লাড বাইপাস সড়কটি দিয়ে নীলফামারী, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করা হয়।
এ সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল কষ্টসাধ্য হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পথচারীরা।
স্থানীয়রা দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, গত ২১ অক্টোবর আকস্মিক বন্যায় তিস্তা ব্যারেজের ফ্লাড বাইপাস সড়কটি ভেঙে গেলে সেখান দিয়ে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় এক মাস নৌকায় তাদের যাতায়াত করতে হয়। পানি শুকিয়ে গেলে তারা পায়ে হেঁটে যাতায়াত করলেও যানবাহন ব্যবহার করতে পারতেন না।
তারা আরও জানান, গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পানি উন্নয়ন বোর্ড ফ্লাড বাইপাস সড়কটি মাটি ভরাটের মাধ্যমে সংস্কার কাজ শুরু করে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সড়কটির সংস্কার কাজ শেষ হলেও এখনো এটি যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী।
দোয়ানী এলাকার ব্যবসায়ী শামসুল ইসলাম (৫০) ডেইলি স্টারকে বলেন, 'তিস্তা ব্যারেজের ফ্লাড বাইপাস সড়ক দিয়ে প্রতিদিন এক হাজারের বেশি হাল্কা যান চলাচল করতো। বুড়িমারী স্থলবন্দরের সঙ্গে সংযোগ এই সড়কের অবস্থা বেহাল হওয়ায় লোকজন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।'
'মাটি ভরাট করে রাস্তাটি সংস্কার করা হলেও এর ওপর দিয়ে যানবাহনে চলাচল করা যাচ্ছে না,' উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, 'এমনকি রিকশা, ভ্যান, ইজিবাইকও ঠিকমতো চলতে পারছে না। পায়ে হাঁটতে গেলেও বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।'
ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকচালক লুৎফর রহমান (৪৪) ডেইলি স্টারকে বলেন, 'এই রাস্তা দিয়ে ফাঁকা ইজিবাইক নিয়ে যেতেও কষ্ট হয়। যাত্রীসহ ইজিবাইক নিয়ে যাওয়া দুরূহ। রাস্তার বেহাল দশার কারণে আমাদের আয় কমে গেছে। তিস্তা ব্যারেজ দেখতে আসা দর্শনার্থীদেরও দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।'
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা উদ দৌলা ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আপাতত ৪৫ লাখ টাকা খরচে মাটি ভরাট করে রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আরও বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে রাস্তাটি সংস্কার করে পথচারীসহ যানবাহন চলাচলের উপযোগী করা হবে।'