আফ্রিকা থেকে এসে ফাঁকি দিয়ে চলে গেল, অ্যাড্রেস করতে পারছি না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
করোনাভাইরাসের নতুন ধরন (ভ্যারিয়েন্ট) ওমিক্রন যেসব দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, সেসব দেশ থেকে আসা লোকজনের ব্যাপারে বেশি কড়াকড়ি আরোপ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।
সম্প্রতি আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে যারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এসেছেন, তারা যেভাবে এয়ারপোর্ট থেকে সোজা বাড়িতে চলে গেলেন এ রকম যদি ওসব দেশ থেকে আরও লোকজন আসে তাহলে কি তারা সরাসরি বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকবেন নাকি আপনারা ব্যবস্থা নেবেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ওরা তো আগে চলে গেছে বাড়িতে। আমরা তো ওমিক্রন সম্বন্ধে জানলামই ৭ দিন হলো। সব কিছু বলার আগেই তো ওখানে চলে গেছে। এর মধ্যেও আমরা ডিজি হেলথকে নির্দেশনা দিয়েছিলাম। তারা ১৫ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন। ন্যাশনাল টেকনিক্যাল কমিটিও পরামর্শ দিয়েছে।
তিনি বলেন, এই যে লোকজন আমাদের ফাঁকি দিয়ে চলে গেল। আমরা অ্যাড্রেস করতে পারছি না। তারা ওই দেশ থেকে এসেছে। মোবাইল ফোনটাও বন্ধ করে রাখেছে। ভুল ঠিকানা দিয়েছে। এই জিনিসগুলো কী রকম! এ জন্য আমরা ওই সব দেশ থেকে আসা লোকজনের ব্যাপারে বেশি কড়াকড়ি করবো। যারা আফ্রিকান দেশগুলো থেকে আসবে তাদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন তো থাকবেই। আমরা ওখান থেকে আসতেই নিরুৎসাহিত করবো।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণকে টিকা গ্রহণে উৎসাহিত করতে প্রতিটি সরকারি দপ্তরে 'নো ভ্যাকসিন, নো সার্ভিস' ক্যাম্পেইন চালু করার কথা ভাবা হচ্ছে।
আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকের আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা বলেছি নির্বাচন চলবে, কিন্তু যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে করে। সভা-সমাবেশগুলো যেন সীমিত করে। আপনারা জানেন এখনো তো আমরা ভালো আছি। এই ধরনের প্রস্তুতি আমরা নিচ্ছি।
শিক্ষার্থীদের টিকাদান কর্মসূচি প্রসঙ্গে জাহিদ মালেক বলেন, শিক্ষার্থীদের টিকা আমরা দিয়েছি। যে পর্যায়ে আশা করেছিলাম সে পর্যায়ে আমরা যেতে পারিনি। ৭ থেকে ৮ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম আরও বেশি দেওয়া হবে। আমরা চেষ্টা করছি যাতে এটা বাড়ানো যায়। এখানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয়রা ছিলেন, তাদের আমরা বলেছি যে আপনারাও আমাদের সহযোগিতা করেন।