গণটিকাদান কার্যক্রম: গ্রহীতাদের অপেক্ষায় টিকাদানকর্মীরা
সারা দেশে একযোগে করোনার টিকাদান কার্যক্রম চলছে। তবে রাজধানীর কেন্দ্রগুলোতে আশানুরূপ উপস্থিতি দেখা যায়নি। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর তেজকুনিপাড়া খেলাঘর মাঠের অস্থায়ী ক্যাম্প ঘুরে দেখা যায়, টিকাদানকর্মীরা সকাল থেকেই টিকা গ্রহীতাদের জন্য অপেক্ষা করছেন।
ওই কেন্দ্রে টিকা নিতে এসেছেন তানভীর নামে এক ব্যক্তি। তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আমার ধারণা ছিল অনেক ভিড় হবে। ২-৩ ঘণ্টা সময় লেগে যাবে। কিন্তু তেমন হয়নি। এসে দাঁড়ানোর ৫ মিনিটের মধ্যেই টিকা পেয়ে গেছি।'
বান্দরবান রুমা উপজেলার পুনর্বাসনপাড়া কেন্দ্রে গত ২৮ সেপ্টেম্বর ১১৩ জন প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছিলেন। আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ৪৬ জন।
রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) চ চ মং মারমা ডেইলি স্টারকে বলেন, সকাল থেকে কিছুটা ভিড় ছিল। এরপর থেকে অল্প অল্প মানুষ আসছে। দুর্গম এলাকা হওয়ায় কেন্দ্রে আসা-যাওয়ায় একটু বেশি সময় লেগে যায়।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী জন্মদিন উপলক্ষে ৮০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে গণটিকাদান কার্যক্রমের প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। অধিদপ্তরের পরিচালক ও ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মো. শামসুল হক গতকাল ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে জানান, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত গণটিকাদান কার্যক্রম চলবে। এই সময়ের মধ্যে প্রথম ডোজ নেওয়া প্রত্যেক মানুষকে দ্বিতীয় ডোজের টিকার দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
সারা দেশে পর্যাপ্ত প্রচারণা চালানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রয়োজন হলে ক্যাম্পেইনের সময় বাড়ানো হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. মো. রোবেদ আমিন ডেইলি স্টারকে বলেন, দ্বিতীয় ডোজের টিকা গ্রহণের ক্ষেত্রে আমরা দেখেছি মানুষের ভেতরে আগ্রহ থাকে। যারা প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন, তারা নিজেরাই কেন্দ্রে আসেন। অনেকে ব্যক্তিগত কারণে টিকা নিতে না-ও আসতে পারেন। আজ নির্ধারিত সময়ে সবাইকে টিকা দেওয়া সম্ভব না হলেও, খুব বেশি মানুষ বাকি থাকবেন না বলে আমরা আশা করি।