আমার বাবা একজন ফেমিনিস্ট

আসাদুজ্জামান নূরের দুই সন্তানের মধ্যে ছোট হচ্ছে মেয়ে। তার নাম সুপ্রভা তাসনিম। লন্ডন স্কুল অব ইকনোমিক্স থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন তিনি। বর্ণিল জীবনের অধিকারী বাবাকে নিয়ে নিজের অনুভূতি পাঠকদের জন্য শেয়ার করেছেন সুপ্রভা
২৭ আগস্ট ২০১৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন

এক সময় ভাই আমার বাবার ভূমিকা নিল

আমার দাদু ভাই আর আমার বয়সের পার্থক্যÑ ১২ বছর। আমি যখন একটু বড় হয়েছি, তখন আমার ভাই পড়তে চলে গেছে বাইরে। সে যখন এইচএসসি পড়ে কারমাইকেল কলেজে তখনকার স্মৃতি আমার কিছু মনে নেই। এরপর সে ঢাকায় চলে যায়। ছোটবেলায় দাদু ভাইয়ের সঙ্গে স্মৃতিগুলো সব যখন সে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসত। এমন একটা স্মৃতি মনে পড়ছে। আমার সেদিন জন্মদিন। দাদু ভাই বাড়িতে ফিরবে। ট্রেন এসে গেল কিন্তু ভাই এলো না।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন

রবীন্দ্রনাথের গল্পগুলোকে ও নাটক আকারে লিখুক

আসাদুজ্জামান নূরের একটা উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে ও যে কাজই করে, খুব মনোযোগ দিয়ে কাজটার ভেতরে গিয়ে করার চেষ্টা করে। যখন অভিনয় করেছে, তখনো খুব সিরিয়াসলি করেছে। যখন রাজনীতি করে, তখনো তাই। আর ওর অনেক ধৈর্য। সবাই বলে আমার নাকি ভালোই ধৈর্য আছে; তবে ওর ধৈর্য আমার চেয়েও বেশি।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন

ব্যস্ততায় মাঝে মাঝে অনেক কিছু ভুলে যান এখন

নূর ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় প্রায় চল্লিশ বছরের বেশি সময় ধরে। তাকে আমি দেখেছি নানাভাবে। এমনিতেই আমার সঙ্গে কারো হঠাৎ করে খুব ঋদ্ধতা তৈরি হয় না। আর নূর ভাইও ছিলেন একটু চুপচাপ প্রকৃতির। তাই নূর ভাইয়ের সঙ্গে একটা ভালো সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে আস্তে আস্তেই হয়েছে। তিনি কবিতা, নাটক, রাজনীতি এসবের সঙ্গে জড়িয়ে থাকলেও নিজেকে কখনো সেভাবে তুলে ধরেননি। যার কারণে তিনি যখন নাগরিক নাট্যদলে যোগ দিলেন, তখন তার সম্পর্কে খুব একটা জানতেও পারিনি।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন

অভিনেতা যখন নেতা

আসাদুজ্জামান নূর একাধারে একজন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং অভিনেতা। ১৯৭৩ সালে তিনি থিয়েটার গ্রুপ নাগরিকে যোগ দেন। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের লেখা ‘কোথাও কেউ নেই’ নামের একটি ধারাবাহিক নাটকে বাকের ভাই চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। এছাড়াও তার অয়োময়, বহুব্রীহি, প্রিয় পদরেখা, আজ রবিবার-এর মতো দর্শকসমাদৃত নাটক রয়েছে অনেক। ‘আগুনের পরশমণি’ তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সিনেমা। এটি ছাড়াও তিনি অভিনয় করেছেন হুলিয়া, দহন, শঙ্খনীল কারাগার, চন্দ্রকথা এবং দারুচিনিদ্বীপ সিনেমাতে। ব্যক্তিগত জীবনে স্ত্রী ডা. শাহীন আকতার, ছেলে সুদীপ্ত তার স্ত্রী কাজলী এবং একমাত্র নাতনি মধুরিমা ও মেয়ে সুপ্রভাকে নিয়ে তার সংসার। বর্তমানে তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন

হায়াতের রক্তক্ষরণে নূরের অভিনেতা হিসেবে সূচনা হলো

নূরের সঙ্গে আমার পথচলা শুরু হয়েছে প্রথমে সহযাত্রী, এরপর সহকর্মী, তারপর বন্ধু। বিভিন্ন দিক থেকে ওর সঙ্গে আমার সম্পর্ক। এখন সবচেয়ে বড় হয়ে যেটা দেখা দিয়েছে সেটা বন্ধু। হাতেগোনা যে কয়েকজন বন্ধু রয়েছে তার মধ্যে একজন। খুব গভীর বন্ধুত্ব। এখন তো বয়স বাড়ছে। অসুখে-বিসুখে, প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে কাছে পাই। নূরের সঙ্গে প্রথম পরিচয় ১৯৭২ সালে। এসএম পারভেজ ভাই সম্পাদিত চিত্রালী পত্রিকায় নূর তখন লেখালেখি করত। ওকে একটা দায়িত্ব দেয়া হলো। মঞ্চ নাটকের চর্চা শুরু হয়েছে তখন। শাহাদত চৌধুরী এটা নিয়ে কাভার স্টোরি করেছে বিচিত্রায়। ‘বাকী ইতিহাস’ তখন নিয়মিত মঞ্চায়ন হচ্ছে। আমার একটা সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য পাঠানো হয়েছিল। একটা পাতা তাকে দেয়া হয়েছিল। আমার বাসা তখন রাজারবাগ।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন

তাহসানের ঈদ ভাবনা

তাহসান রহমান খান আমাদের খুব পরিচিত আর কাছের মানুষ বলতে পারি। টিভি খুললেই তাহসানের বিজ্ঞাপন, নাটক বা গানের মিউজিক ভিডিও দেখি। ক্যারিয়ারের এ পর্যায়ে তাহসান একজন সফল মানুষ। ভক্তদের জানার আগ্রহ বরাবরই থাকে তার প্রিয় মানুষটি সম্পর্কে। ঈদ চলে এসেছে কাছে। তাই তাহসানের ঈদ ভাবনা, ভালোলাগা আনন্দধারার পাঠকদের জন্য।
৩১ জুলাই ২০১৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন

গ্রাম নিয়ে যত কথা

গ্রাম আমাকে আহ্বান করে নিরন্তর। আমি আজও ভূতে পাওয়া মানুষের মতো যখন, তখন গ্রামমুখী হই। ঢাকায় বসবাস আমার। অনেকের মতে অবাসযোগ্য একটি শহর। আমরা নিজেরাই কিন্তু এ শহরকে অবাসযোগ্য করে তুলেছি। সে যা-ই হোক, ওই প্রসঙ্গটি ভিন্ন। আজকের আলোচ্য বিষয় নয়। হয়তো কোনোদিন সেটি নিয়েও লিখব। ঢাকা শহর থেকে প্রায়ই আমি বেরিয়ে পড়ি আশপাশের গ্রামের দিকে, কখনো নরসিংদীর পথে, কখনো টাঙ্গাইল, আবার কখনো ময়মনসিংহ।
২৫ জুলাই ২০১৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন

সম্ভাবনার পরিতৃপ্তি

ছোটবেলায় নিশ্চিত ছিলাম না যে, আমি পোশাক নিয়েই কাজ করব। যদিও পারিবারিক ব্যবসা ছিল টেক্সটাইলের। বড় হয়েছি নরসিংদীতে। ঢাকায় চলে এসেছিলাম পড়তে, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজে। ম্যাট্রিক শেষ করে সরকারি বিজ্ঞান কলেজে ইন্টারমিডিয়েট, তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগে ¯স্নাতক।
১৭ জুলাই ২০১৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন

উত্থানপর্বের সুখস্মৃতি

তখন আশির দশক। পড়ছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগে। দেশের অর্থনীতি, আর্থ-সামাজিক অবস্থা রীতিমতো বিধ্বস্ত। হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলে আখ্যায়িত করেছেন। একজন ব্রিটিশ ইকোনোমিস্ট লিখেছেন, এই অবস্থা থেকে যদি বাংলাদেশের অর্থনীতি উৎরে যেতে পারে, পৃথিবীর যেকোনো দেশের অর্থনীতির পক্ষে উঠে দাঁড়ানো সম্ভব। এমন এক অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ¯œাতকোত্তর শেষ করে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে চলে যাই দেশের বাইরে, আমেরিকার ড্রেক ইউনিভার্সিটিতে। এটি ১৯৮৭ সালের কথা।
১৭ জুলাই ২০১৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন

এ যেন এক চলমান আন্দোলন

আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা কুমিল্লা শহরে। পরীক্ষা শেষ হলেই আমাদের সব ভাইবোনকে আব্বা গাড়ি ভরে দিয়ে আসতেন চৌদ্দগ্রামে, দাদীর কাছে। আম্মা খুব আপত্তি করতেন এভাবে দলেবলে বাড়ি যাওয়া নিয়ে। তখন বুঝতাম না কেন। এখন বুঝি। কতবার পুকুরে ডুবতে ডুবতে বেঁচে গেছি। কিন্তু গ্রাম সবসময়ই টানত। তার ওপর দাদীর প্রচ- পক্ষপাতিত্ব ছিল আমাদের ব্যাপারে। ওটা বেশ উপভোগ করতাম।
১৭ জুলাই ২০১৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন

অফিসে বা কর্মক্ষেত্রে হুটহাট ভাজাপোড়া

অফিসে বা কর্মক্ষেত্রে হুটহাট ভাজাপোড়া থেকে শুরু করে এটা-ওটা..
২৫ জুন ২০১৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন

আমার বাবা একজন ফেমিনিস্ট

আসাদুজ্জামান নূরের দুই সন্তানের মধ্যে ছোট হচ্ছে মেয়ে। তার নাম সুপ্রভা তাসনিম। লন্ডন স্কুল অব ইকনোমিক্স থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন তিনি। বর্ণিল জীবনের অধিকারী বাবাকে নিয়ে নিজের অনুভূতি পাঠকদের জন্য শেয়ার করেছেন সুপ্রভা
২৭ আগস্ট ২০১৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন

এক সময় ভাই আমার বাবার ভূমিকা নিল

আমার দাদু ভাই আর আমার বয়সের পার্থক্যÑ ১২ বছর। আমি যখন একটু বড় হয়েছি, তখন আমার ভাই পড়তে চলে গেছে বাইরে। সে যখন এইচএসসি পড়ে কারমাইকেল কলেজে তখনকার স্মৃতি আমার কিছু মনে নেই। এরপর সে ঢাকায় চলে যায়। ছোটবেলায় দাদু ভাইয়ের সঙ্গে স্মৃতিগুলো সব যখন সে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসত। এমন একটা স্মৃতি মনে পড়ছে। আমার সেদিন জন্মদিন। দাদু ভাই বাড়িতে ফিরবে। ট্রেন এসে গেল কিন্তু ভাই এলো না।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন

রবীন্দ্রনাথের গল্পগুলোকে ও নাটক আকারে লিখুক

আসাদুজ্জামান নূরের একটা উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে ও যে কাজই করে, খুব মনোযোগ দিয়ে কাজটার ভেতরে গিয়ে করার চেষ্টা করে। যখন অভিনয় করেছে, তখনো খুব সিরিয়াসলি করেছে। যখন রাজনীতি করে, তখনো তাই। আর ওর অনেক ধৈর্য। সবাই বলে আমার নাকি ভালোই ধৈর্য আছে; তবে ওর ধৈর্য আমার চেয়েও বেশি।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন

ব্যস্ততায় মাঝে মাঝে অনেক কিছু ভুলে যান এখন

নূর ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় প্রায় চল্লিশ বছরের বেশি সময় ধরে। তাকে আমি দেখেছি নানাভাবে। এমনিতেই আমার সঙ্গে কারো হঠাৎ করে খুব ঋদ্ধতা তৈরি হয় না। আর নূর ভাইও ছিলেন একটু চুপচাপ প্রকৃতির। তাই নূর ভাইয়ের সঙ্গে একটা ভালো সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে আস্তে আস্তেই হয়েছে। তিনি কবিতা, নাটক, রাজনীতি এসবের সঙ্গে জড়িয়ে থাকলেও নিজেকে কখনো সেভাবে তুলে ধরেননি। যার কারণে তিনি যখন নাগরিক নাট্যদলে যোগ দিলেন, তখন তার সম্পর্কে খুব একটা জানতেও পারিনি।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন

অভিনেতা যখন নেতা

আসাদুজ্জামান নূর একাধারে একজন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং অভিনেতা। ১৯৭৩ সালে তিনি থিয়েটার গ্রুপ নাগরিকে যোগ দেন। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের লেখা ‘কোথাও কেউ নেই’ নামের একটি ধারাবাহিক নাটকে বাকের ভাই চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। এছাড়াও তার অয়োময়, বহুব্রীহি, প্রিয় পদরেখা, আজ রবিবার-এর মতো দর্শকসমাদৃত নাটক রয়েছে অনেক। ‘আগুনের পরশমণি’ তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সিনেমা। এটি ছাড়াও তিনি অভিনয় করেছেন হুলিয়া, দহন, শঙ্খনীল কারাগার, চন্দ্রকথা এবং দারুচিনিদ্বীপ সিনেমাতে। ব্যক্তিগত জীবনে স্ত্রী ডা. শাহীন আকতার, ছেলে সুদীপ্ত তার স্ত্রী কাজলী এবং একমাত্র নাতনি মধুরিমা ও মেয়ে সুপ্রভাকে নিয়ে তার সংসার। বর্তমানে তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন

হায়াতের রক্তক্ষরণে নূরের অভিনেতা হিসেবে সূচনা হলো

নূরের সঙ্গে আমার পথচলা শুরু হয়েছে প্রথমে সহযাত্রী, এরপর সহকর্মী, তারপর বন্ধু। বিভিন্ন দিক থেকে ওর সঙ্গে আমার সম্পর্ক। এখন সবচেয়ে বড় হয়ে যেটা দেখা দিয়েছে সেটা বন্ধু। হাতেগোনা যে কয়েকজন বন্ধু রয়েছে তার মধ্যে একজন। খুব গভীর বন্ধুত্ব। এখন তো বয়স বাড়ছে। অসুখে-বিসুখে, প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে কাছে পাই। নূরের সঙ্গে প্রথম পরিচয় ১৯৭২ সালে। এসএম পারভেজ ভাই সম্পাদিত চিত্রালী পত্রিকায় নূর তখন লেখালেখি করত। ওকে একটা দায়িত্ব দেয়া হলো। মঞ্চ নাটকের চর্চা শুরু হয়েছে তখন। শাহাদত চৌধুরী এটা নিয়ে কাভার স্টোরি করেছে বিচিত্রায়। ‘বাকী ইতিহাস’ তখন নিয়মিত মঞ্চায়ন হচ্ছে। আমার একটা সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য পাঠানো হয়েছিল। একটা পাতা তাকে দেয়া হয়েছিল। আমার বাসা তখন রাজারবাগ।
২২ আগস্ট ২০১৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন

তাহসানের ঈদ ভাবনা

তাহসান রহমান খান আমাদের খুব পরিচিত আর কাছের মানুষ বলতে পারি। টিভি খুললেই তাহসানের বিজ্ঞাপন, নাটক বা গানের মিউজিক ভিডিও দেখি। ক্যারিয়ারের এ পর্যায়ে তাহসান একজন সফল মানুষ। ভক্তদের জানার আগ্রহ বরাবরই থাকে তার প্রিয় মানুষটি সম্পর্কে। ঈদ চলে এসেছে কাছে। তাই তাহসানের ঈদ ভাবনা, ভালোলাগা আনন্দধারার পাঠকদের জন্য।
৩১ জুলাই ২০১৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন

গ্রাম নিয়ে যত কথা

গ্রাম আমাকে আহ্বান করে নিরন্তর। আমি আজও ভূতে পাওয়া মানুষের মতো যখন, তখন গ্রামমুখী হই। ঢাকায় বসবাস আমার। অনেকের মতে অবাসযোগ্য একটি শহর। আমরা নিজেরাই কিন্তু এ শহরকে অবাসযোগ্য করে তুলেছি। সে যা-ই হোক, ওই প্রসঙ্গটি ভিন্ন। আজকের আলোচ্য বিষয় নয়। হয়তো কোনোদিন সেটি নিয়েও লিখব। ঢাকা শহর থেকে প্রায়ই আমি বেরিয়ে পড়ি আশপাশের গ্রামের দিকে, কখনো নরসিংদীর পথে, কখনো টাঙ্গাইল, আবার কখনো ময়মনসিংহ।
২৫ জুলাই ২০১৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন

সম্ভাবনার পরিতৃপ্তি

ছোটবেলায় নিশ্চিত ছিলাম না যে, আমি পোশাক নিয়েই কাজ করব। যদিও পারিবারিক ব্যবসা ছিল টেক্সটাইলের। বড় হয়েছি নরসিংদীতে। ঢাকায় চলে এসেছিলাম পড়তে, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজে। ম্যাট্রিক শেষ করে সরকারি বিজ্ঞান কলেজে ইন্টারমিডিয়েট, তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগে ¯স্নাতক।
১৭ জুলাই ২০১৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন

উত্থানপর্বের সুখস্মৃতি

তখন আশির দশক। পড়ছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগে। দেশের অর্থনীতি, আর্থ-সামাজিক অবস্থা রীতিমতো বিধ্বস্ত। হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলে আখ্যায়িত করেছেন। একজন ব্রিটিশ ইকোনোমিস্ট লিখেছেন, এই অবস্থা থেকে যদি বাংলাদেশের অর্থনীতি উৎরে যেতে পারে, পৃথিবীর যেকোনো দেশের অর্থনীতির পক্ষে উঠে দাঁড়ানো সম্ভব। এমন এক অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ¯œাতকোত্তর শেষ করে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে চলে যাই দেশের বাইরে, আমেরিকার ড্রেক ইউনিভার্সিটিতে। এটি ১৯৮৭ সালের কথা।
১৭ জুলাই ২০১৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন

এ যেন এক চলমান আন্দোলন

আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা কুমিল্লা শহরে। পরীক্ষা শেষ হলেই আমাদের সব ভাইবোনকে আব্বা গাড়ি ভরে দিয়ে আসতেন চৌদ্দগ্রামে, দাদীর কাছে। আম্মা খুব আপত্তি করতেন এভাবে দলেবলে বাড়ি যাওয়া নিয়ে। তখন বুঝতাম না কেন। এখন বুঝি। কতবার পুকুরে ডুবতে ডুবতে বেঁচে গেছি। কিন্তু গ্রাম সবসময়ই টানত। তার ওপর দাদীর প্রচ- পক্ষপাতিত্ব ছিল আমাদের ব্যাপারে। ওটা বেশ উপভোগ করতাম।
১৭ জুলাই ২০১৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন

অফিসে বা কর্মক্ষেত্রে হুটহাট ভাজাপোড়া

অফিসে বা কর্মক্ষেত্রে হুটহাট ভাজাপোড়া থেকে শুরু করে এটা-ওটা..
২৫ জুন ২০১৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন