উত্তেজনার মধ্যে আলোচনায় বসার ইঙ্গিত তেহরান-ওয়াশিংটনের

স্টার অনলাইন ডেস্ক

পাল্টাপাল্টি হুমকি ও চলমান উত্তেজনার মাঝেও আলোচনার টেবিলে বসার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র।

আজ রোববার বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, উভয় পক্ষই আলোচনা পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত বলে ইঙ্গিত দিয়েছে। তুরস্ক ও কাতারের মতো আঞ্চলিক মিত্ররা উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।  

এরআগে গতকাল শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ইরান গুরুত্ব দিয়ে কথা বলছে।

আলোচনা হচ্ছে বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি।

তবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেবে কিনা, সে বিষয়টি স্পষ্ট করেননি ট্রাম্প।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'কেউ কেউ মনে করছে হামলা হবে, আবার কেউ কেউ মনে করছে হবে না। দেখা যাক কি হয়।'

ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, কাঠামোগত আলোচনার প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।

তবে তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাদের আত্মরক্ষামূলক সক্ষমতা বা ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো সমঝোতা হবে না।

সম্প্রতি বিক্ষোভ দমনে খামেনি সরকারের কঠোর অবস্থানের সমালোচনা করে ট্রাম্প সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দেন।

ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরীসহ শক্তিশালী নৌবহর মোতায়েন করেছে ওয়াশিংটন।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য মতে, বর্তমানে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ৬টি ডেস্ট্রয়ার, ১টি বিমানবাহী রণতরী ও ৩টি উপকূলীয় যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে।

এদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডবাহিনীকে (আইআরজিসি) ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সম্প্রতি 'সন্ত্রাসী সংগঠন' হিসেবে তালিকাভুক্ত করার পাল্টা জবাব দিয়েছে তেহরান।

আজ রোববার দেশটির সংসদ সদস্যরাও ইউরোপীয় দেশগুলোর সামরিক বাহিনীকে 'সন্ত্রাসী গোষ্ঠী' হিসেবে ঘোষণা করে আইন পাস করেছেন।

সংসদ অধিবেশনে আইআরজিসির সবুজ ইউনিফর্ম পরে অংশ নেন আইনপ্রণেতারা।