খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ খাজা নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ খাজা নিজামউদ্দিন ভূঁইয়া ছিলেন ৪ নম্বর সেক্টরের জামালপুর সাব সেক্টরের সেকেন্ড ইন কমান্ড। পরবর্তীতে তিনি এই সাব সেক্টরের কমান্ডারও হয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও অসীম আত্মত্যাগের জন্য তাকে বীরত্বের স্বীকৃতিসূচক বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধে একমাত্র বেসামরিক শহীদ মুক্তিযোদ্ধা যিনি বীর উত্তম খেতাব পেয়েছেন। বীরউত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৪।
১৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: আবদুস সালেক চৌধুরী,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে আবদুস সালেক চৌধুরী ছিলেন ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে সালদা নদী সাব সেক্টরের কমান্ডার। অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১২।
১৬ জানুয়ারি ২০২২, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
রণেশ দাশগুপ্ত: মহাকালের আজন্ম বিপ্লবী
তার জীবনকে বলা যায় সংগ্রাম বা বিপ্লবের প্রতিচ্ছবি। যে জীবন কেবলই সংগ্রামের। বলা হয়, মানুষ জীবনের দুটি পিঠই দেখে, কিন্তু রণেশ দাশগুপ্তের জীবন মুদ্রার এক পিঠ। যার সংগ্রাম কখনো শেষ হয়নি।
১৫ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: এ এন এম নূরুজ্জামান,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে এ এন এম নূরুজ্জামান ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তিনি বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন। তার সনদ নম্বর ১০।
১৪ জানুয়ারি ২০২২, ০১:০৩ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ আবু তাহের, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মোহাম্মদ আবু তাহের ছিলেন ১১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৯। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়।
১৩ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:০৬ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর ছিলেন ৮ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৮।
১২ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: খালেদ মোশাররফ, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে খালেদ মোশাররফ ছিলেন ২ নম্বর সেক্টর এবং কে ফোর্সের কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীরউত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৭।
১১ জানুয়ারি ২০২২, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মীর শওকত আলী, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মীর শওকত আলী ছিলেন ৫ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ৬।
১০ জানুয়ারি ২০২২, ০২:৫১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: কাজী নুরুজ্জামান, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে কাজী নুরুজ্জামান ছিলেন ৭ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধের ২৬ সেপ্টেম্বর ৭ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মেজর নাজমুল হক ভারতে এক সড়ক দুর্ঘটনা মারা যাওয়ার পর কর্নেল নুরুজ্জামানকে এই সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার ক্রম ৫। যদিও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান কৃতিত্ব গণমানুষের, এই যুক্তিতে আজীবন অটল থেকে কাজী নুরুজ্জামান অবশ্য বীর উত্তম উপাধি গ্রহণ করেননি, কোথাও এই উপাধি তিনি ব্যবহারও করেননি।
৯ জানুয়ারি ২০২২, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মেজর জিয়াউর রহমান ছিলেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকায়। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের কারণে তিনি পেয়েছেন বীর উত্তম খেতাব। তার খেতাবের সনদ নম্বর ৩।
৮ জানুয়ারি ২০২২, ১২:৩০ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: চিত্তরঞ্জন দত্ত, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে চিত্তরঞ্জন দত্ত ছিলেন ৪ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার খেতাবের সনদ নম্বর ৪।
৫ জানুয়ারি ২০২২, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: কাজী মুহাম্মদ শফিউল্লাহ, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুহাম্মদ শফিউল্লাহ ছিলেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকায়। অসামান্য বীরত্বের জন্য হিসেবে তিনি পেয়েছিলেন বীর উত্তম খেতাব। তার খেতাবের সনদ নম্বর ২। মুক্তিযুদ্ধে প্রথমে তিনি ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। পরে এস ফোর্সের প্রধান হন।
৩ জানুয়ারি ২০২২, ০১:১১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ আবদুর রব, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রব ছিলেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকায়। তার খেতাবের সনদ নম্বর ০১। মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অবিস্মরণীয়। সিলেট অঞ্চলে ৪ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর চিত্তরঞ্জন দাশের নেতৃত্বে দুর্ধর্ষ সব যুদ্ধের অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন এম এ রব। ১৯৭১ সালে জুনের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ ওয়্যার কোর্সের জন্য অফিসার ক্যাডেট নির্বাচনী পরীক্ষায় তিনি ছিলেন প্রধান নির্বাচক।
১ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:১০ অপরাহ্ন
মোনাজাতউদ্দিন: সংবাদের পেছনে ছুটে বেড়ানো এক মহাপ্রাণ
গাইবান্ধায় এক গ্রামে আমাশয় ছড়িয়ে পড়েছে, ডাক্তারের আগে দৌড়াচ্ছেন তিনি সংবাদের খোঁজে। বাঁধ ভেঙেছে, নদী ভাঙনে গ্রাম বিলীন হচ্ছে, খেতে ফসল নেই, সর্বত্র অভাব—মানুষ তাকে খুঁজছে, তিনি মানুষ খুঁজেছেন। সংবাদের নেশায় মরিয়া এক সংবাদকর্মী ছুটছেন সবার আগে। বৃষ্টি, ঝড় ঝাপটা, খরা, মঙ্গা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিছুই আটকাতে পারে না তাকে। প্রান্তিক মানুষের চিত্র যে জাতীয় সংবাদ হয়ে উঠতে পারে তার প্রমাণ পাওয়া যেত একজনের তৈরি করা মর্মভেদী প্রতিবেদনে।
২৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
২৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: ‘বাংলাদেশের পুনর্গঠনে সাহায্য করবে ভারত’
১৯৭১ সালের ২৬ ডিসেম্বর ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণী কমিটির চেয়ারম্যান ডিপি ধর বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে ভারত সর্বক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে।’
২৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
২৪ ডিসেম্বর ১৯৭১: সাবেক গভর্নর ডা. এ এম মালিকসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা আটক
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ২৪ ডিসেম্বর গুরুত্বপূর্ণ ও ঘটনাবহুল একটি দিন। এদিন পূর্ব পাকিস্তানের সাবেক গভর্নর ডা. এ এম মালিক, মন্ত্রিসভার ৮ সদস্য, আমলা ও পুলিশের নেতৃস্থানীয় কর্মকর্তাসহ মোট ৩০ জনকে আটক করে বাংলাদেশ পুলিশ।
২৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৪০ অপরাহ্ন
২৩ ডিসেম্বর ১৯৭১: বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠক
১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ সচিবালয় প্রাঙ্গণে সরকারি কর্মচারীদের সমাবেশে বলেন, ‘আজ বাংলাদেশ একটি বাস্তব সত্য। অথচ আজ জাতির পিতা, যিনি আমাদের স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন, সেই বঙ্গবন্ধুকে এখন পাকিস্তান সরকারের হেফাজতে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তবে আমরা তার মুক্তির জন্য সর্বপ্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। বঙ্গবন্ধু তার সোনার বাংলার যে রূপরেখা ঠিক করে রেখেছেন, বৈপ্লবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নতুন উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে, ঠিক সেইভাবে দেশকে গড়ে তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে।’
২৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
২২ ডিসেম্বর ১৯৭১: ঢাকায় ফিরে পুষ্পবৃষ্টি ও অশ্রুজলে সিক্ত জাতীয় নেতারা
ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ উড়োজাহাজে ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর বিকেল পৌনে ৫টার দিকে কলকাতার দমদম বিমানবন্দর থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছান বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম কামরুজ্জামান, অর্থ ও শিল্পমন্ত্রী এম মনসুর আলী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খন্দকার মোশতাকসহ মন্ত্রীসভার ৭ সদস্য।
২২ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
২০ ডিসেম্বর ১৯৭১: আমরা বাংলাদেশের জন্য লড়াই করেছি: ইন্দিরা গান্ধী
ভারতের দিল্লিতে পশ্চিম জার্মানির এক পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ১৯৭১ সালের ২০ ডিসেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেন, ‘পাকিস্তানের অঞ্চল নিজেদের দাবি করার কোনো আকাঙ্ক্ষা ভারতের নেই। আমরা বাংলাদেশের জন্যই লড়াই করেছি। এমনকি আমরা যত শিগগির সম্ভব বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সৈন্য সরিয়ে নেব।’
২০ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
১৯ ডিসেম্বর ১৯৭১: ঢাকায় পাকিস্তানি হানাদারদের অস্ত্র সমর্পণ
১৯৭১ সালের ১৯ ডিসেম্বর সকাল পৌনে ১১টায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের গলফ মাঠে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর ৪৭৮ জন অফিসার অস্ত্র সমর্পণ করেন। একই সঙ্গে ঢাকা সেনানিবাসের বিভিন্ন ইউনিটে মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর নেতৃত্বে প্রায় ৩০ হাজার পাকিস্তানি সৈন্য মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
১৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ খাজা নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ খাজা নিজামউদ্দিন ভূঁইয়া ছিলেন ৪ নম্বর সেক্টরের জামালপুর সাব সেক্টরের সেকেন্ড ইন কমান্ড। পরবর্তীতে তিনি এই সাব সেক্টরের কমান্ডারও হয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও অসীম আত্মত্যাগের জন্য তাকে বীরত্বের স্বীকৃতিসূচক বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধে একমাত্র বেসামরিক শহীদ মুক্তিযোদ্ধা যিনি বীর উত্তম খেতাব পেয়েছেন। বীরউত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৪।
১৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: আবদুস সালেক চৌধুরী,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে আবদুস সালেক চৌধুরী ছিলেন ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে সালদা নদী সাব সেক্টরের কমান্ডার। অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১২।
১৬ জানুয়ারি ২০২২, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
রণেশ দাশগুপ্ত: মহাকালের আজন্ম বিপ্লবী
তার জীবনকে বলা যায় সংগ্রাম বা বিপ্লবের প্রতিচ্ছবি। যে জীবন কেবলই সংগ্রামের। বলা হয়, মানুষ জীবনের দুটি পিঠই দেখে, কিন্তু রণেশ দাশগুপ্তের জীবন মুদ্রার এক পিঠ। যার সংগ্রাম কখনো শেষ হয়নি।
১৫ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: এ এন এম নূরুজ্জামান,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে এ এন এম নূরুজ্জামান ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তিনি বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন। তার সনদ নম্বর ১০।
১৪ জানুয়ারি ২০২২, ০১:০৩ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ আবু তাহের, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মোহাম্মদ আবু তাহের ছিলেন ১১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৯। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়।
১৩ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:০৬ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর ছিলেন ৮ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৮।
১২ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: খালেদ মোশাররফ, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে খালেদ মোশাররফ ছিলেন ২ নম্বর সেক্টর এবং কে ফোর্সের কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীরউত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৭।
১১ জানুয়ারি ২০২২, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মীর শওকত আলী, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মীর শওকত আলী ছিলেন ৫ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ৬।
১০ জানুয়ারি ২০২২, ০২:৫১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: কাজী নুরুজ্জামান, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে কাজী নুরুজ্জামান ছিলেন ৭ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধের ২৬ সেপ্টেম্বর ৭ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মেজর নাজমুল হক ভারতে এক সড়ক দুর্ঘটনা মারা যাওয়ার পর কর্নেল নুরুজ্জামানকে এই সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার ক্রম ৫। যদিও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান কৃতিত্ব গণমানুষের, এই যুক্তিতে আজীবন অটল থেকে কাজী নুরুজ্জামান অবশ্য বীর উত্তম উপাধি গ্রহণ করেননি, কোথাও এই উপাধি তিনি ব্যবহারও করেননি।
৯ জানুয়ারি ২০২২, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মেজর জিয়াউর রহমান ছিলেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকায়। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের কারণে তিনি পেয়েছেন বীর উত্তম খেতাব। তার খেতাবের সনদ নম্বর ৩।
৮ জানুয়ারি ২০২২, ১২:৩০ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: চিত্তরঞ্জন দত্ত, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে চিত্তরঞ্জন দত্ত ছিলেন ৪ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার খেতাবের সনদ নম্বর ৪।
৫ জানুয়ারি ২০২২, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: কাজী মুহাম্মদ শফিউল্লাহ, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুহাম্মদ শফিউল্লাহ ছিলেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকায়। অসামান্য বীরত্বের জন্য হিসেবে তিনি পেয়েছিলেন বীর উত্তম খেতাব। তার খেতাবের সনদ নম্বর ২। মুক্তিযুদ্ধে প্রথমে তিনি ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। পরে এস ফোর্সের প্রধান হন।
৩ জানুয়ারি ২০২২, ০১:১১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ আবদুর রব, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রব ছিলেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকায়। তার খেতাবের সনদ নম্বর ০১। মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অবিস্মরণীয়। সিলেট অঞ্চলে ৪ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর চিত্তরঞ্জন দাশের নেতৃত্বে দুর্ধর্ষ সব যুদ্ধের অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন এম এ রব। ১৯৭১ সালে জুনের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ ওয়্যার কোর্সের জন্য অফিসার ক্যাডেট নির্বাচনী পরীক্ষায় তিনি ছিলেন প্রধান নির্বাচক।
১ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:১০ অপরাহ্ন
মোনাজাতউদ্দিন: সংবাদের পেছনে ছুটে বেড়ানো এক মহাপ্রাণ
গাইবান্ধায় এক গ্রামে আমাশয় ছড়িয়ে পড়েছে, ডাক্তারের আগে দৌড়াচ্ছেন তিনি সংবাদের খোঁজে। বাঁধ ভেঙেছে, নদী ভাঙনে গ্রাম বিলীন হচ্ছে, খেতে ফসল নেই, সর্বত্র অভাব—মানুষ তাকে খুঁজছে, তিনি মানুষ খুঁজেছেন। সংবাদের নেশায় মরিয়া এক সংবাদকর্মী ছুটছেন সবার আগে। বৃষ্টি, ঝড় ঝাপটা, খরা, মঙ্গা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিছুই আটকাতে পারে না তাকে। প্রান্তিক মানুষের চিত্র যে জাতীয় সংবাদ হয়ে উঠতে পারে তার প্রমাণ পাওয়া যেত একজনের তৈরি করা মর্মভেদী প্রতিবেদনে।
২৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
২৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: ‘বাংলাদেশের পুনর্গঠনে সাহায্য করবে ভারত’
১৯৭১ সালের ২৬ ডিসেম্বর ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণী কমিটির চেয়ারম্যান ডিপি ধর বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে ভারত সর্বক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে।’
২৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
২৪ ডিসেম্বর ১৯৭১: সাবেক গভর্নর ডা. এ এম মালিকসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা আটক
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ২৪ ডিসেম্বর গুরুত্বপূর্ণ ও ঘটনাবহুল একটি দিন। এদিন পূর্ব পাকিস্তানের সাবেক গভর্নর ডা. এ এম মালিক, মন্ত্রিসভার ৮ সদস্য, আমলা ও পুলিশের নেতৃস্থানীয় কর্মকর্তাসহ মোট ৩০ জনকে আটক করে বাংলাদেশ পুলিশ।
২৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৪০ অপরাহ্ন
২৩ ডিসেম্বর ১৯৭১: বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠক
১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ সচিবালয় প্রাঙ্গণে সরকারি কর্মচারীদের সমাবেশে বলেন, ‘আজ বাংলাদেশ একটি বাস্তব সত্য। অথচ আজ জাতির পিতা, যিনি আমাদের স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন, সেই বঙ্গবন্ধুকে এখন পাকিস্তান সরকারের হেফাজতে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তবে আমরা তার মুক্তির জন্য সর্বপ্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। বঙ্গবন্ধু তার সোনার বাংলার যে রূপরেখা ঠিক করে রেখেছেন, বৈপ্লবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নতুন উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে, ঠিক সেইভাবে দেশকে গড়ে তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে।’
২৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
২২ ডিসেম্বর ১৯৭১: ঢাকায় ফিরে পুষ্পবৃষ্টি ও অশ্রুজলে সিক্ত জাতীয় নেতারা
ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ উড়োজাহাজে ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর বিকেল পৌনে ৫টার দিকে কলকাতার দমদম বিমানবন্দর থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছান বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম কামরুজ্জামান, অর্থ ও শিল্পমন্ত্রী এম মনসুর আলী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খন্দকার মোশতাকসহ মন্ত্রীসভার ৭ সদস্য।
২২ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
২০ ডিসেম্বর ১৯৭১: আমরা বাংলাদেশের জন্য লড়াই করেছি: ইন্দিরা গান্ধী
ভারতের দিল্লিতে পশ্চিম জার্মানির এক পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ১৯৭১ সালের ২০ ডিসেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেন, ‘পাকিস্তানের অঞ্চল নিজেদের দাবি করার কোনো আকাঙ্ক্ষা ভারতের নেই। আমরা বাংলাদেশের জন্যই লড়াই করেছি। এমনকি আমরা যত শিগগির সম্ভব বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সৈন্য সরিয়ে নেব।’
২০ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
১৯ ডিসেম্বর ১৯৭১: ঢাকায় পাকিস্তানি হানাদারদের অস্ত্র সমর্পণ
১৯৭১ সালের ১৯ ডিসেম্বর সকাল পৌনে ১১টায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের গলফ মাঠে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর ৪৭৮ জন অফিসার অস্ত্র সমর্পণ করেন। একই সঙ্গে ঢাকা সেনানিবাসের বিভিন্ন ইউনিটে মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর নেতৃত্বে প্রায় ৩০ হাজার পাকিস্তানি সৈন্য মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
১৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন