ধর্ষক, চোর ও ঘুষখোরের দেশে করোনা
বোধ হয় আমাদের কিছুই বদলাবে না। একটি ভাইরাসের কারণে সারা পৃথিবী যেখানে অচল; পুরো পৃথিবীর মানবজাতি এক ভয়াবহ সংকটে নিপতিত এবং কবে এই মহাবিপর্যয় থেকে তাদের মুক্তি মিলবে সেই আশায় দিন গুণছে; যখন সারা পৃথিবীর মানুষ এখন মানসিকভাবে ঐক্যবদ্ধ যে, যেভাবেই হোক এই অদৃশ্য শত্রুকে পরাস্ত করতেই হবে; যখন বলা হচ্ছে করোনাউত্তর পৃথিবীতে হয়তো অনেক কিছুই বদল যাবে, ক্ষমতার কেন্দ্র পাল্টে যাবে, বিশ্বনেতাদের চিন্তায়ও হয়তো পরিবর্তন আসবে— সেই মুহূর্তেও আমাদের দেশে পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত নেই।
১০ এপ্রিল ২০২০, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
‘মরে গেলে বেঁচে গেলাম, বেঁচে থাকলে খাব কী’
যখন সবকিছু বন্ধ, তখন কেন পোশাক কারখানা খুলতে হবে এবং কেন লাখ লাখ শ্রমিকের জীবন ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া হবে? প্রশ্ন উঠেছে, মালিকরা যদি শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তারা কেন সরকারের কাছে প্রণোদনার প্রত্যাশা করেন বা সরকার কেন জনগণের টাকায় তাদের সেই প্রণোদনা দেবে?
৪ এপ্রিল ২০২০, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
গণকর্মচারীরা কেন গণমানুষের বিরুদ্ধে?
‘আপনি চাকরি করেন, আপনার মাইনে দেয় ওই গরিব কৃষক, আপনার মাইনে দেয় ওই গরিব শ্রমিক, আপনার সংসার চলে ওই টাকায়, আমি গাড়ি চড়ি ওই টাকায়, ওদের সম্মান করে কথা বলেন, ওদের ইজ্জত করে কথা বলেন, ওরাই মালিক।’
২৮ মার্চ ২০২০, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
ষোড়শ সংশোধনী: রিভিউ শুনানি কবে?
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় নিয়ে দেশের আইন ও বিচার বিভাগের জল কম ঘোলা হয়নি। একজন সাবেক প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগ এবং দেশত্যাগও করতে হয়েছে। যে সংশোধনীটি আনা হয়েছিলো বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল (জিয়াউর রহমানের আমলে প্রবর্তিত) থেকে সংসদের ওপর ন্যস্ত করার জন্য।
৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
উপাচার্যের চেয়ে যুবলীগ চেয়ারম্যানের পদ বড়?
সংবাদটি চোখে পড়ার পর একটু থতমত খাই। ভেবেছিলাম এটা বোধহয় রসিকতা কিংবা কোনো ভুঁইফোঁড় অনলাইন নিউজ পোর্টালের কারসাজি। পরে দেখা গেলো, দেশের শীর্ষ সংবাদপত্রগুলোও খবরটি প্রকাশ করেছে যে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান- যিনি এর আগে ‘বিশেষ কর্মকর্তার’ পদ তৈরি করে এবং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই ছাত্রলীগের ১২ জন নেতাকে নিয়োগ দিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন; তিনি বলেছেন, যুবলীগের দায়িত্ব পেলে তিনি উপাচার্য পদ ছেড়ে দিতে রাজি আছেন।
১৯ অক্টোবর ২০১৯, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
ক্যাম্পাসে দলীয় রাজনীতির পক্ষ-বিপক্ষ
ক্যাম্পাসে দলীয় রাজনীতি চান, কী চান না- এই প্রশ্নটি উন্মুক্ত পরিসরে ছুঁড়ে দিলে ‘চান না’র পক্ষে ভোট বেশি পড়বে, এটি চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায়। কারণ, ছাত্ররাজনীতির নামে দলীয় লেজুড়বৃত্তির যে কদর্য চেহারাটি বছরের পর বছর ধরে তৈরি হয়েছে, তাতে খুব ব্যতিক্রম ছাড়া কোনো অভিভাবকই এখন আর চান না, তার সন্তান ক্যাম্পাসে গিয়ে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হোক।
৯ অক্টোবর ২০১৯, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
রংপুরের ভোট ও ইসির মাছ ধরা
রংপুর-৩ উপনির্বাচনে ভোট পড়েছে ২২ শতাংশেরও কম এবং এখানে জয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের ছেলে রাহগীর আল মাহী ওরফে সাদ এরশাদ। এরশাদের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়েছিল।
৬ অক্টোবর ২০১৯, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন