নাপোলির মাঠে আবারও হারল জুভেন্টাস
প্রথমার্ধে যেমন তেমন দ্বিতীয়ার্ধে প্রায় একক আধিপত্য বিস্তার করে জুভেন্টাস। কিন্তু ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় গোলের দেখা পায়নি দলটি। ফলে নাপোলির মাঠে আবারও হার মানতে হয় তুরিনের দলটিকে। গত মৌসুমেও এ মাঠ থেকে হার নিয়ে ফিরতে হয়েছিল তাদের।
স্তাদিও দিয়াগো আরমান্দো মারাদোনায় জুভেন্টাসকে ১-০ গোলে হারিয়েছে নাপোলি। ম্যাচের একমাত্র গোলটি পেনাল্টি থেকে করেন লোরেঞ্জো ইনসিনিয়া। ফলে ২১ ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে সেরা চারে উঠে এলো নাপোলি। সমান ম্যাচের ২ পয়েন্ট বেশি নিয়ে তাদের উপরেই আছে জুভেন্টাস।
শুরুতে অবশ্য আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ এগিয়ে যেতে থাকে। ১৫তম মিনিটে গোল করার প্রথম সুযোগ পায় নাপোলি। ডি-বক্সে ফাঁকায় বল পেয়েও উড়িয়ে মারেন ইনসিনিয়া। পরের মিনিটে সুযোগ ছুল জুভেন্টাসেরও। ম্যাত্তিও পোলিতানোও উড়িয়ে মেরে সুযোগ নষ্ট করেন।
৩১তম মিনিটে ইনসিনিয়ার সফল স্পটকিক থেকে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ডি-বক্সের মধ্যে হার্ভিং লোজানোর মুখে হাত দিয়ে আঘাত করলে ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দলকে সমতায় ফেরানোর ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন রোনালদো। ডান প্রান্ত থেকে নেওয়া সতীর্থের ক্রস ফাঁকায় পেয়েও লক্ষ্যে হেড রাখতে পারেননি এ পর্তুগিজ তারকা। বিরতির পর পরই ফ্রান্সিস্কো চেইসার ক্রসে ফাঁকায় হেড নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন আলভারো মোরাতাও। কিন্তু তার হেডও লক্ষ্যে থাকেনি। পরের মিনিটে সুযোগ ছিল রোনালদোর। কিন্তু ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
৪৯তম মিনিটে জটলা থেকে দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন রোনালদো। ভালো ভলিও নিয়েছিলেন। কিন্তু গোলরক্ষক মারেতের নৈপুণ্যে সে যাত্রা বেঁচে যায় নাপোলি। ৫৬তম মিনিটে আরও একবার দলকে বাঁচান নাপোলি গোলরক্ষক। চেইসার জোরালো শট ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকান তিনি। ৬৩তম মিনিটে বল জালে জড়িয়েছিলেন মোরাতা। কিন্তু অফসাইডে থাকায় বাতিল হয় সে গোল।
৬৮তম মিনিটে আলেক্স সান্দ্রোর ক্রস থেকে পা ছোঁয়াতে পারলেই গোল পেতে পারতেন রোনালদো। কিন্তু অল্পের জন্য নাগাল পাননি। ছয় মিনিট পর পাল্টা আক্রমণ থেকে ফের ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন এ পর্তুগিজ। কিন্তু তার শট সহজেই ঠেকিয়ে দেন নাপোলি গোলরক্ষক মারেত।
৮৫তম মিনিটে চেইসার শট একেবারে বারপোস্ট ঘেঁষে লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে হতাশা বাড়ে দলটির। পরের মিনিটে চেইসার ক্রস থেকে মোরাতার শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন নাপোলি গোলরক্ষক। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে অবিশ্বাস্য এক সুযোগ নষ্ট করেন রোনালদো। সান্দ্রোর ক্রস থেকে একেবারে ফাঁকায় হেড নেওয়ার সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি। গোলরক্ষক বরাবর দুর্বল হেড সহজেই ধরে ফেলেন মারেত। ফলে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দলটিকে।