‘স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা উচিত’

সাদী মুহাম্মাদ আলোক
সাদী মুহাম্মাদ আলোক

চলতি মাসের শুরু থেকে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও বিগত কয়েকদিন ধরে বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। সংক্রমণ যে বাড়তে পারে কিংবা যুক্তরাজ্যে পাওয়া নতুন স্ট্রেইন দেশে ছড়িয়ে পড়লে বিপদ আরও বাড়বে, তা আগেই বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু, এরপরও যথাযথ সতর্কতা পরিলক্ষিত হয়নি।

বর্তমানে যে হারে সংক্রমণ বাড়ছে তা চলমান থাকলে কি মৃত্যু আরও বাড়তে পারে? ঠিক এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় কী? দ্য ডেইলি স্টার কথা বলেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (রোগনিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. একে আজাদ খান ও বায়ো মেডিকেল সাইন্স গবেষক ব্রিটিশ-বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. খোন্দকার মেহেদী আকরামের সঙ্গে।

বর্তমানে করোনার সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে, এভাবে বাড়তে থাকলে করোনায় মৃত্যুও বাড়ার সম্ভাবনা আছে বলে মনে করেন অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ। তিনি বলেন, ‘ইউকে ভ্যারিয়েন্টটা আমাদের দেশে এসেছে। বাংলাদেশে যেভাবে ফ্লাইট চলাচল করছে, যেকোনো দেশ থেকে যেকেউই আসতে পারছে, তাদের কোয়ারেন্টিনও যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে না। যে কারণে অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টগুলোও আমাদের এখানে আসার তীব্র সম্ভাবনা আছে। ইউকে ভ্যারিয়েন্টে তরুণরা বেশি আক্রান্ত হয়, এটার সংক্রমণ ও মৃত্যুর হারও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। আমাদের যারা শনাক্ত হচ্ছেন, তাদের মধ্যে কতজন ইউকে ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হচ্ছেন সেটা কিন্তু আমরা জানি না। কিন্তু, অবশ্যই কিছুসংখ্যক হলেও তো ইউকে ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হচ্ছেন, যারা হাসপাতালে ভর্তি আছেন, যারা আইসিইউতে আছেন। গত কয়েকদিনের চিত্র দেখলে বোঝা যায়, সংক্রমণ কী পরিমাণে বাড়ছে। তাদের মধ্যেই তো অনেকের অবস্থা গুরুতর। কাজেই প্রতিদিনই যদি এটা বাড়ে, তাহলে সামনের দিনগুলোতে মৃত্যু স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে।’

চলমান পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে এই জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘প্রথমেই সরকারকে ঘোষণা দিতে হবে যে, বাংলাদেশে এখন পরিস্থিতিটা মারাত্মক। “স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা” ঘোষণা করা উচিত। দ্বিতীয়ত, এটা ঘোষণা দেওয়ার পরপরই সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কিছু উদ্যোগ নিতে হবে। যাতে মানুষের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, পরিস্থিতি গুরুতর, সরকার এতে গুরুত্ব দিচ্ছে ও সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিচ্ছে। সরকারের উচিত এখনই একটি জাতীয় বিশেষজ্ঞ কমিটির সঙ্গে বসে আপদকালীন পরিকল্পনা তৈরি করা। সেই পরিকল্পনায় নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকতে হবে। যেমন: আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে সংক্রমণ কমিয়ে আনা; হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা কমিয়ে আনা; হাসপাতালে যারা ভর্তি হবে তাদের সিভিয়ারিটি কমিয়ে আনা ও মৃত্যু কমিয়ে আনা। এখন এই লক্ষ্যগুলো অর্জনে কিছু উদ্যোগ নিতে হবে। এর সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনে সংক্রামক আইনও ব্যবহার করতে হবে। যাতে সরকারের উদ্যোগ দ্রুত কার্যকর করা যায়।’

‘আমাদের এখানে এখনো সভা-সমাবেশ হচ্ছে। এগুলো কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে। বইমেলা চলছে। সরকার যদি ঠিক এই মুহূর্তে বইমেলাটা বন্ধ করে দিতো, তাহলে প্রমাণ পাওয়া যেত যে, সরকার সিরিয়াস এবং উদ্যোগ নিতে শুরু করেছে। বাজার-ঘাট নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যাতে প্রয়োজনের বাইরে সেখানে ভিড় না হয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদেরকে জাতীয়ভাবে ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। আরেকটা বিশেষ কমিটি গঠন করতে হবে এবং সেই কমিটিকে ক্ষমতা দিতে হবে। যাতে তারা যেটা বলবে, সব মন্ত্রণালয়-প্রতিষ্ঠান সেটাই বাস্তবায়ন করতে বাধ্য হবে। এখন যে জাতীয় পরামর্শক কমিটি আছে, সেটার মধ্যে হতাশা আছে। কমিটি তাদের মতো করে পরামর্শ দিচ্ছে। আর মন্ত্রণালয় নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যেটা আসলে কার্যকর হচ্ছে না। আর অবশ্যই কন্টাক্ট ট্রেসিং করতে হবে। হাসপাতালে কোভিড শয্যা ও আইসিইউ ক্যাপাসিটি বাড়াতে হবে। সর্বোপরি মানুষকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। পরিস্থিতিটাকে গুরুতর হিসেবে নিতে হবে। অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। যারা আক্রান্ত হচ্ছেন, তারা ও তাদের পরিবার বুঝতে পারে যে, পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ। মাস্ক অবশ্যই পরতে হবে, জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে যাওয়া যাবে না। তাহলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সবাই ভূমিকা রাখতে পারবে। ঢিলেঢালাভাবে চলার কোনো সুযোগ নেই।’

এখন যারা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের মধ্যে কতজন যুক্তরাজ্যের স্ট্রেইনে আক্রান্ত হচ্ছেন, তা শনাক্ত করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ। তিনি বলেন, ‘এই কাজটা আমাদের অবশ্যই করা দরকার। যখন সমস্যা হয়, তখন সঙ্গে সঙ্গে যথাযথ ব্যবস্থা নিলে কিন্তু সমস্যাটা আর বাড়ে না। যুক্তরাজ্যে পরিস্থিতি একসময় খারাপ ছিল। এখন তারা রিকভার করছে। এখন তাদেরকে ইউরোপের মডেল বলা হচ্ছে। আমরা কেন তাদের অনুসরণ করছি না? আগামী চার থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে অবশ্যই ইউরোপে সংক্রমণ ও মৃত্যু কমে আসবে, তারা হার্ড ইমিউনিটি অর্জন করবে। আমাদের এখানে থ্রি-জিন কিট দিয়ে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করলে কতজন যুক্তরাজ্যের স্ট্রেইনে আক্রান্ত হচ্ছেন, তা বোঝা যাবে। আরও আগে থেকেই থ্রি-জিন আরটি-পিসিআর পরীক্ষা চালু করা দরকার ছিল। এখন যত দ্রুত সম্ভব সেটা চালু করা দরকার।’

অধ্যাপক ডা. একে আজাদ খান বলেন, ‘আমাদের দেশে এখন সংক্রমণের হার বাড়ছে। যদি পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে না নেওয়া হয়, মানুষকে এখনই সচেতন না করা হয়, তাহলে এই সংক্রমণ বাড়তেই থাকবে। সংক্রমণ বাড়তে থাকলে মৃত্যুও বাড়বে। করোনা এত তাড়াতাড়ি চলে যাবে না। আমাদেরকে করোনা নিয়েই বাঁচতে শিখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘চলমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রথমেই যার যখন সুযোগ আসবে, সঙ্গে সঙ্গে ভ্যাকসিন নিয়ে ফেলতে হবে। একইসঙ্গে মাস্ক পরা, হাত ধোয়া, শারীরিক-সামাজিক দূরত্ব মানাসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মানতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আর অযথা কোনো ধরনের জনসমাগম করা যাবে না। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়াই উচিত। মানুষ যাতে এগুলো মানে, সরকারের পক্ষ থেকেও তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।’

‘যুক্তরাজ্যের স্ট্রেইনটা যে আমাদের দেশে এসেছে, সেটা প্রমাণিত। সেই স্ট্রেইন আগেরটার চেয়ে আরও দ্রুত ছড়ায়। কিন্তু, কতজন নতুন স্ট্রেইনে আক্রান্ত হচ্ছে, সেই পরিসংখ্যান আমাদের নেই। সেটা জানাটাও দরকার। জনসংখ্যা বিবেচনায় আমাদের দেশ তো ছোট না। আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। ভ্যাকসিন উৎপাদন খুব কঠিন কিছু তো না। সেই সক্ষমতাও আমাদের অর্জন করতে হবে। তারপর নতুন স্ট্রেইন শনাক্তে থ্রি-জিন আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করা দরকার। যেসব স্ট্রেইন ইতোমধ্যে শনাক্ত হয়েছে, সঠিক রিঅ্যাজেন্টের মাধ্যমে পিসিআর পরীক্ষা করলে তো সেগুলো পাওয়া যাবে। আরও অন্যান্য ধরন শনাক্তে জিনোম সিকোয়েন্সিং করতে হবে। এই যে আমাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হলো, কিন্তু, এখনো অ্যান্টিবডি সার্ভেইল্যান্স শুরু হয়নি। কেন সেটা এখনো হচ্ছে না? এগুলো তো করতে হবে। আমি মনে করি দ্রুত এ কাজগুলো করা উচিত’, যোগ করেন তিনি।

ড. খোন্দকার মেহেদী আকরাম বলেন, ‘সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে, মৃত্যুও বাড়বে, এটাই স্বাভাবিক। আর যদি সংক্রমণটা নতুন স্ট্রেইন দিয়ে হয়, তাহলে শঙ্কাটা আরও বেশি। বাংলাদেশে বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যাও কিন্তু বাড়ছে। এখানে দুটো বিষয়। একটা হলো কারো উপসর্গ আছে, পরীক্ষা করানোর পর পজিটিভ আসছে, সেটা একটা। আর দ্বিতীয়ত পজিটিভ আসছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে। যদি হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বাড়ে, তাহলে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়বে। বাংলাদেশে এখন হাসপাতালের শয্যা রোগীতে ভরে যাচ্ছে এবং আইসিইউ পাওয়া যাচ্ছে না। এটাই শঙ্কার বিষয়। এখন যে পরিস্থিতি, এতে বোঝা যায় যে, এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়বে। সাধারণত সংক্রমণ বাড়ার সাত থেকে ১৪ দিনের ভেতরে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ে। পৃথিবীর সবদেশেই এমনটা দেখা গেছে। এখনই আমাদের মৃত্যু গড়ে ২০-৩০ এর ঘরে আছে। যেভাবে সংক্রমণ বাড়ছে, মনে হচ্ছে আগামী দিনগুলোতে দৈনিক মৃত্যু আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে পারে। দুইটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে এই আশঙ্কাটা করা হচ্ছে। আইসিইউ চাহিদা বেড়ে যাওয়া ও ইউকে ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়া।’

করণীয় নিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন জরুরি ভিত্তিকে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। এই উদ্যোগগুলো হলো— অপ্রয়োজনীয় সব ধরনের জনসমাগম প্রতিরোধ করতে হবে। যেমন: সভা-সমাবেশ, মিটিং, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, ওয়াজ-মাহফিল, বইমেলা— এগুলো বন্ধ করতে হবে। তা না হলে সংক্রমণ আরও বাড়বে। এগুলো করতে প্রয়োজনে সরকারের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে মাঠে নামাতে হবে। একইসঙ্গে কন্টাক্ট ট্রেসিংও করতে হবে। কোভিড কতটা মারাত্মক হতে পারে, সেই সম্পর্কে মানুষকে অবগত করতে হবে। যাতে মানুষ এটাকে গুরুতরভাবে নেয়। অন্যথায় মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানবে না। আর স্বাস্থ্যবিধি না মানলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।’

‘আরও কিছু দিকে ফোকাস করতে হবে। যেমন: বাংলাদেশে হাসপাতালের ক্যাপাসিটি বাড়াতে হবে। কারণ, সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে, ক্যাপাসিটি না বাড়ালে যারা গুরুতরভাবে আক্রান্ত হবে, তাদেরকে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে না। হাই-ফ্লো নেজাল ক্যানোলার সংখ্যা পাঁচ থেকে ১০ গুণ বাড়াতে হবে। করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের সংখ্যা বাড়াতে হবে। আইসিইউ শয্যা বাড়াতে হবে। শুধু সরকারি নয়, বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও যথাযথভাবে এই কার্যক্রমের আওতায় আনতে হবে। আরেকটি বিষয় হলো যাদের আরটি-পিসিআর পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ আসবে তাদের যেমন চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি যাদের পিসিআরে নেগেটিভ আসবে কিন্তু উপসর্গ আছে, সিটি-স্ক্যান ও এক্স-রেতে মনে হচ্ছে পজিটিভ, তাদেরকেও আলাদাভাবে চিকিৎসার আওতায় আনতে হবে। তাদেরকে করোনা রোগীর মতোই চিকিৎসা দিতে হবে। সবমিলিয়ে সরকারকে এখনই দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে’, বলেন তিনি।

দ্য ইউনিভার্সিটি অব শেফিল্ডের এই জ্যেষ্ঠ গবেষক বলেন, ‘আমাদের এখানে কতজন ইউকে স্ট্রেইনে আক্রান্ত হয়েছেন, সেটা জানাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি শুরু থেকেই বলে আসছি যে, থ্রি-জিন আরটি-পিসিআর পরীক্ষা নির্দিষ্টভাবে যুক্তরাজ্যের স্ট্রেইনটাকে শনাক্ত করে। থ্রি-জিন আরটি-পিসিআর পরীক্ষার জন্যে বাজারে স্বনামধন্য কোম্পানির কিটও অ্যাভেইলেভল। যুক্তরাজ্যে নতুন ধরন যে এত শনাক্ত হয়েছে, এই থ্রি-জিন পরীক্ষার মাধ্যমেই হয়েছে। বাংলাদেশেও অনতিবিলম্বে এই কিট দিয়ে পরীক্ষা চালু করা দরকার। অন্যথায় কতজন ইউকে স্ট্রেইনে আক্রান্ত হয়েছেন, সেটা জানা যাবে না। প্রতিদিন হাজারো নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিং করার সক্ষমতা বাংলাদেশের নেই। সহজ উপায় হচ্ছে এই থ্রি-জিন আরটি-পিসিআর পরীক্ষা।’

আরও পড়ুন:

প্রশ্ন-উত্তরে অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার প্রমাণ

অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন কতটা সুরক্ষা নিশ্চিত করে?

ভ্যাকসিন নিলেও করোনায় আক্রান্তের সম্ভাবনা থাকে?

৪ সপ্তাহের পার্থক্যে দ্বিতীয় ডোজে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৫৩ শতাংশ, ১২ সপ্তাহে ৮৩ শতাংশ

ভ্যাকসিন নেওয়া এবং না নেওয়া, মানুষ চিহ্নিত হবে দুই দলে

করোনার নতুন স্ট্রেইন শনাক্ত হয় না বাংলাদেশের পিসিআর পরীক্ষায়

মত-দ্বিমত ‘করোনাভাইরাসে দ্বিতীয়বার আক্রান্তের সম্ভাবনা নেই?’

ভ্যাকসিন নিয়ে দ্বিধা ও বিতর্ক কেন?

ভ্যাকসিন কবে পাব এবং অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের ‘ভুল ডোজ’র আশাবাদ

যুক্তরাজ্যের স্ট্রেইন দেশে শনাক্ত: ‘দেরিতে জানিয়ে নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারছি’

করোনার নতুন স্ট্রেইন: করছি কী, করণীয় কী

করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেইনে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ‘কিছুটা কমতে পারে’

অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের কারণে রক্ত জমাট বাঁধা এবং আমাদের যত ভ্রান্তি!

বিভ্রান্তি নয়, নির্দ্বিধায় ভ্যাকসিন নিতে হবে