সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি নিয়োগে বিলম্ব কেন?
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগের জন্য আইন প্রণয়ন এখন অপরিহার্য বলে প্রধান বিচারপতির মন্তব্যের সঙ্গে আমরা কোনো দ্বিধা ছাড়াই সম্পূর্ণভাবে একমত। আমাদের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদেও এমন একটি আইন থাকা উচিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আইনমন্ত্রী অতীতে আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে, সরকার এজন্য একটি আইন প্রণয়ন করবে। তবে হতাশাজনক বিষয় হলো আইনটি এখনো করা হয়নি।
১৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
প্রধানমন্ত্রীর বুস্টার ডোজের আহ্বানের সঙ্গে আমরা একমত
পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে করোনাভাইরাস এখানে থেকে যাবে। যদিও এর ধরন পরিবর্তিত হয়েছে এবং এই ভাইরাস যাতে আমাদের বেশি ক্ষতি করতে না পারে সে বিষয়টি মাথায় রেখে এর সঙ্গে আমাদের বাঁচতে শিখতে হবে।
১৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন
র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা: বিচক্ষণতার সঙ্গে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করুন
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ইস্যুতে বাংলাদেশ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সদস্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অনুমেয় প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এই ক্ষতি মেটাতে প্রত্যাশিতভাবে দ্রুত কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।
১৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
দেশে ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়া রোধে প্রয়োজন সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। দেশের নারী জাতীয় ক্রিকেট দলের ২ খেলোয়াড়, যারা গত সপ্তাহে কোভিড-১৯ পজিটিভ শনাক্ত হয়েছিলেন, তারা ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত। তাদেরকে কোয়ারেন্টিনে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং আমরা আশা করি তারা দ্রুত পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন।
১৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
আসপিয়া ও স্থায়ী ঠিকানার ঝক্কি
'দুই দিনের দুনিয়া'য় 'সংসার অনিত্য' হলেও জাগতিক কোনো কোনো ব্যাপারে প্রয়োজন 'স্থায়ী ঠিকানা'। শুধু প্রয়োজন না, মারাত্মকভাবেই প্রয়োজন। বরিশালের আসপিয়ার চাকরি হওয়া না হওয়ার দোলাচল এই স্থায়ী ঠিকানার প্রয়োজনের বিষয়টাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।
১২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন
গুমের ঘটনাগুলো অমীমাংসিতই রয়ে গেছে
সংবিধান নিশ্চিত করে এমন মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে বেঁচে থাকার অধিকার একটি রাষ্ট্রের সমস্ত কর্মকাণ্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দু। এটি অলঙ্ঘনীয়। কিন্তু আইনের যথাযথ প্রয়োগ না করে যদি কারও বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয় এবং রাষ্ট্র যদি পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে না পারে কিংবা এই ধরনের ঘটনাকে ঠেকানোর জন্য কোনো ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আইনের শাসন থাকবে না। আইন পরিণত হবে যারা শক্তিশালী তাদের নির্মম স্বার্থ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে। এতে সংবিধান কলুষিত হয়, রাষ্ট্রের পরিচয় এবং সমাজের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়।
১২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
কী শিখেছি এতো বছরে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে আমার প্রবেশ বায়ান্নর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের বছরে। তারপরে অনেক ঘটনা ঘটেছে ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত জীবনে। কিন্তু সেই যে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা, সেখান থেকে আর সরা হয়নি। ইচ্ছে করেই সরিনি। কিন্তু কি শিখেছি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে? এক কথায় বলতে গেলে, বিশেষভাবে শিক্ষাপ্রাপ্ত হয়েছি দুটি ব্যাপারে। একটি গ্রন্থমনস্কতা অপরটি সামাজিকতা। আলাদা আলাদাভাবে নয়, এক সঙ্গেই। ওই দুই বস্তু আমার ভেতর কতটি ছিল জানি না, যতটুকু ছিল তারা উভয়েই যে বিকশিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশ্রয়ে ও প্রশ্রয়ে, তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।
১১ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের কারাবন্দি করা বন্ধ করতে হবে
চলতি বছর বিশ্বজুড়ে কারাবন্দি সাংবাদিকের সংখ্যা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক যে, সিপিজে এ নিয়ে টানা ৬ বছর সারাবিশ্বে রেকর্ড সংখ্যক সাংবাদিক কারাবন্দির ঘটনা নথিভুক্ত করেছে।
১১ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
রাজনৈতিক দলগুলোকে সন্ত্রাসী পালন বন্ধ করতে হবে
বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার দায়ে বুয়েটের ২০ শিক্ষার্থীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ২০১৯ সালের অক্টোবরে এই ভয়ানক হত্যাকাণ্ডে ক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছিল সারাদেশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার জন্য আরও ৫ শিক্ষার্থীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
১০ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
দুর্ঘটনা, অবহেলা নাকি খুন?
চট্টগ্রামের উন্মুক্ত নালা এর আগেও প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এবার গত সোমবার ড্রেনে পড়ে নিখোঁজ হয় ১২ বছরের এক শিশু। দমকল বাহিনীর কর্মীরা নিখোঁজ ছেলেটির সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছেন। ছেলের ছবি ধরে শোকাহত বাবার ছবি যা দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতায় প্রকাশিত হয়েছে তা মর্মান্তিক।
৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
মুরাদের অচিন্তনীয় নারীবিদ্বেষ
তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে মুরাদ হাসানকে প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশের ভিত্তিতে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। এই উদ্যোগে সারা দেশের যেসব নারী একাগ্রচিত্তে ঘটনাপ্রবাহ অনুসরণ করছিলেন, তারা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন। এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া ও তা বাস্তবায়নের জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ। তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন, তার মন্ত্রিসভায় এরকম সদস্যের কোনো স্থান নেই, যারা উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্মে এরকম কুৎসিত ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্য করতে পারেন। বিশেষ করে সে মন্তব্যে কী পরিণতি হতে পারে সে বিষয়ে একটুও চিন্তা না করে নারীদের অসম্মান করার প্রবণতা দেখা যায়।
৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:২৭ অপরাহ্ন
প্রখর ব্যক্তিত্বের বিভায় সমুজ্জ্বল সৈয়দ আকরম হোসেন
প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এক সম্মাননা অনুষ্ঠানে দুঃখ করে বলেছিলেন শিক্ষকদের দেখলে শিক্ষার্থীরা আর অন্তর থেকে ভক্তি-শ্রদ্ধা করে না। কিন্তু এই দহনকালে এখনও কিছু শিক্ষক আছেন যাদের অন্তর থেকে শ্রদ্ধা করে, ভালোবাসে শিক্ষার্থীরা। মাথার মুকুট মনে করে তাদের সামনে শ্রদ্ধায় অবনত হয়। হতাশায় আচ্ছন্ন সময়ে তারাই জাতির বাতিঘর। নিঃসন্দেহে এ কালে সৈয়দ আকরম হোসেন তাদের মধ্যে অন্যতম।
৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
প্রধানমন্ত্রীর সময়োপযোগী সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ
নারীর প্রতি অবমাননাকর ও অশালীন মন্তব্যের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই।
৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
কিছু আন্দোলন মানুষের হাতে থাক
আমাদের আন্দোলনগুলো হাতছাড়া হয়ে যায়, লুট হয়ে যায়। কখনো বন্ধুর বেশে ঢুকে পড়ে, কখনো শত্রুর বেশে হামলে পড়ে সুযোগ নেয় অন্যরা। অনেক বছর ধরে সাধারণ মানুষের কোনো আন্দোলন চূড়ান্তভাবে আর তাদের হাতে থাকছে না।
৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
এই মূল্যস্ফীতিতে সাধারণ মানুষ বাঁচবে কীভাবে?
নিত্যপণ্য ও জ্বালানির লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে দেশের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে গেছে। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে, বেশিরভাগ মানুষ বাজারে যেতেই ভয় পাচ্ছেন।
৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
রাজনীতি ও ভাষার অপব্যবহার
বাকস্বাধীনতা এবং নাগরিকের ব্যক্তিগত বিষয় ও গোপনীয়তা উভয়ই সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত। একটা আর একটা মাড়িয়ে যেতে পারে না। আর সেই সীমাবদ্ধতাগুলোও সংবিধান ঠিক করে দিয়েছে। এই অধিকারগুলো একই সঙ্গে সাংবিধানিক দায়িত্বও বটে, যা রাষ্ট্র নিশ্চিত করতে বাধ্য থাকে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়ও এই অধিকারগুলো খর্ব করা যায় না। তাই, সাধারণ নাগরিকদের চেয়ে, এই অধিকারগুলো টিকিয়ে রাখতে রাজনীতিবিদদেরই দায়িত্ব বেশি থাকে। আইনি দিক বাদ দিয়ে নীতিগত ভাবে দেখলেও রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব আগে চলে আসে। রাজনীতি যারা করেন, তারা শুধু দেশই চালান না, তারা জাতির পথ প্রদর্শক হিসেবে কাজ করেন। পারিবারিক শিক্ষা যেমনি মানুষকে পরিশীলিত করে, তেমনি রাষ্ট্রীয় শিক্ষাও মানুষকে জাতীয় জীবনের আচরণ ও ব্যবহারকে তৈরি করে দেয়। এই রাষ্ট্রীয় শিক্ষার খানিকটা আসে, রাজনীতিক আর রাষ্ট্রনায়কদের আচরণ আর ভাষার ব্যবহার থেকে। কারণ মানুষের মুখের ভাষা, শুধু যে কিছু প্রকাশ্য শব্দ তা নয়, বরং তা একজনের জীবনাদর্শ, নীতিজ্ঞান আর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এরও প্রতিফলন।
৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
৯০ এর আন্দোলনের ৩ দশক: ফিরে দেখা আমাদের আকাঙ্ক্ষা ও অর্জন
আজ থেকে ৩ দশক আগে সামরিক জান্তা এরশাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ৯ বছর আন্দোলনের পর তার পতন হয়েছিল। সে আন্দোলনে প্রায় ৩৭০ জন জীবন দিয়েছিলেন, পঙ্গু-গুম হয়েছিলেন অসংখ্য মানুষ। হরতাল হয়েছিল প্রায় ১ বছর ৩২৮ দিন! অবরোধ হয়েছিল ৭০ দিন। জাতীয় সম্পদ ও আর্থিক ক্ষতিও হয়েছিল প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার।
৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
শুধু মেয়েদেরই নয়, যৌন নিপীড়ন করা হচ্ছে ছেলেদেরও
সালমা আক্তার (ছদ্মনাম) ও তার স্বামী বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত। তাদের ছেলের বয়স যখন ৫ বছর, তখন বাসায় যে গৃহকর্মীর কাছে থাকতো, সে নিয়মিতভাবে শিশুটিকে যৌন নিপীড়ন করতো। ক্রমে শিশুটি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে এবং ওই গৃহকর্মীকে ভয় পেতে শুরু করে। ডাক্তারের কাছে গিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে বুঝতে পারেন এই দম্পতি। এই ঘটনা তাদের ওপর এতটাই প্রভাব ফেলেছিল যে, নিজেরাই সবসময় তটস্থ থাকতেন।
৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
মৈত্রী দিবস: বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ৫০ বছর
বাংলাদেশ ও ভারত দক্ষিণ এশিয়ার দুটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র হলেও এই ২ দেশের মধ্যে ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান।
৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
ব্যাংকিং খাত কি সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে?
দেশে ক্রমবর্ধমান অবৈধ সম্পদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম ব্যর্থ হওয়ায় ব্যাংকগুলোর নগদ অর্থের প্রবাহ এবং আয়কে প্রভাবিত করেছে, যা উদ্বেগজনক।
৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন