সরফরাজকে টেস্ট ক্যাপ দিয়ে ‘গর্বিত’ কুম্বলে, ছেলের অভিষেকে কাঁদলেন বাবা
প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে রানের বন্যা বইয়েও একটি ডাকের অপেক্ষা কেবল বেড়ে চলেছিল সরফরাজ খানের। অবশেষে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুলদের চোট খুলে দিল দরজা। রাজকোটে বৃহস্পতিবার ২৬ পেরুনো ডানহাতি ব্যাটারের অভিষেক হয়েছে। তাকে অভিষেক টেস্ট ক্যাপ পরিয়ে দিয়েছেন কিংবদন্তি ভারতীয় স্পিনার অনিল কুম্বলে, সরফরাজের উদ্দেশ্যে দারুণ বক্তব্যও দিয়েছেন তিনি।
কুম্বলের কাছ থেকে টেস্ট ক্যাপ নেওয়ার সময় খানিকটা দূরে দাঁড়িয়েছিলেন সরফরাজের বাবা নওশাদ খান ও স্ত্রী। এই সময় তাদের চোখে দেখা যায় জল।
From The Huddle!
— BCCI (@BCCI) February 15, 2024
A Test cap is special!
Words of wisdom from Anil Kumble & Dinesh Karthik that Sarfaraz Khan & Dhruv Jurel will remember for a long time
You Can Not Miss This!
Follow the match https://t.co/FM0hVG5X8M#TeamIndia | #INDvENG | @dhruvjurel21 |… pic.twitter.com/mVptzhW1v7
সরফরাজকে ভারতের ৩১১ নম্বর টেস্ট ক্যাপ দিয়ে কুম্বলে বলেন, 'সফু, যেভাবে তুমি উঠে এসেছ আমি সত্যিই গর্বিত। আমি নিশ্চিত তোমার বাবা, তোমার পরিবার ভীষণ গর্বিত। আমি জানি তুমি কঠোর পরিশ্রম করেছ। কিছু হতাশাও ছিলো। কিন্তু ঘরোয়া মৌসুমে তুমি যা রান করেছে সেসব তোমাকে এখানে এনেছে। ওয়েলডান। আমি আশা করি আজকের দারুণ স্মৃতি সঙ্গী হবে তোমার। আমি নিশ্চিত ক্যারিয়ার দীর্ঘ হবে। তোমার আগে মাত্র ৩১১ জন খেলেছে (টেস্ট ভারতের হয়ে)।'
সতীর্থদের অভিনন্দন গ্রহণের পর বাবার কাছে যান সরফরাজ, জড়িয়ে ধরেন। বাবা তার টেস্ট ক্যাপটা চুমু খেয়ে কাঁদতে থাকেন। প্রাপ্তি ও আনন্দের কান্না। টেস্ট অভিষেকে আগে ৪৫টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ খেলে ৬৯.৮৫ গড়ে ৩ হাজার ৯১২ রান করে এসেছেন মুম্বাইর ছেলে।
এদিন সরফরাজের সঙ্গে অভিষেক হয়েছে কিপার ব্যাটার ধ্রুব জুরেলেরও। মাত্র ১৫টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ খেললেও আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে নজরকাড়া উত্তর প্রদেশের ২৩ পেরুনো ছেলে। তার হাতে টেস্ট ক্যাপ তুলে দেন সাবেক আরেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার দীনেশ কার্তিক। জুরেলকে কার্তিক মনে করিয়ে দেন টেস্ট সংস্করণের ওজন, 'প্রথমত আমি রাহুল ভাই ও রোহিতকে ধন্যবাদ দেব আমাকে ক্যাপ পরিয়ে দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য। এটা খুব বিশেষ আয়োজন। জুরেল, তুমি আগ্রা থেকে এসেছ। পরে নয়দায় গিয়ে সংগ্রাম করেছ। তোমার সেই সংগ্রামের পাশে যারা ছিল সবাই আজ তোমাকে দেখছে। তুমি হয় বিভিন্ন জার্সিতে অনেক খেলবে। কিন্তু সাদা পোশাক পরে ভারতের হয়ে খেলা ঐশ্বরিক ব্যাপার। এটা সবচেয়ে কঠিন সংস্করণ। এখানে ভালো করলে তৃপ্তিটা বেশি থাকে। তিন সংস্করণ যারা খেলে জিজ্ঞেস করে দেখ। টেস্ট জেতার চেয়ে কাছাকাছি কিছু নেই। খুব বেশি লোক এই সংস্করণ খেলেনি। ৬৫ শতাংশ টি-টোয়েন্টি খেলেছে, ৫৬ শতাংশ ওয়ানডে খেলেছে। মাত্র ৩০ শতাংশ টেস্ট খেলতে পেরেছে। দীর্ঘদিন খেলো।'