বোলিং আক্রমণ নিয়ে এখন অনেক গর্ব সিমন্সের
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে বোলাররাই বোধহয় ম্যাচ জেতার অধিকাংশ কাজ করে দিয়েছেন। শারজার ছোট বাউন্ডারিতে প্রতিপক্ষকে দেড়শোর কাছাকাছি আটকে রাখার ফলে চাপে পড়লেও ব্যাটারদের ম্যাচ বের করতে সমস্যা হয়নি। সিরিজ জেতার পর নিজেদের বোলিংয়ের মান নিয়ে প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের কন্ঠে গর্ব।
বাংলাদেশ দুটি ম্যাচই খেলেছে তিন পেসার ও দুই স্পিনারের সমন্বয়ে। প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষকে আটকে রাখে ১৫১ রানে। পাওয়ার প্লের ভেতর তাসকিন আহমেদ, নাসুম আহমেদ তানজিম হাসান সাকিব। পাওয়ার প্লের পর সামলান মোস্তাফিজুর রহমান, রিশাদ হোসেন। স্পিনাররা রান আটকে রেখে উইকেট তুলেছেন, পেসাররা গুরুত্বপূর্ণ ধাপে পেয়েছেন ব্রেক থ্রো। দ্বিতীয় ম্যাচে বোলিং আক্রমণে বদল এনেও আরও ভালো ফল। এবার আফগানিস্তান ভালো শুরুর পরও থামে ১৪৭ রানে। একাদশে ফিরে শরিফুল ইসলাম ৪ ওভারে দেন মাত্র ১৩ রান।
নাসুম প্রথম ম্যাচে ১৮ রানে ১ উইকেটের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ২৫ রানে পান ২ উইকেট। আফগান ব্যাটারদের বাঁহাতি স্পিন খেলার দুর্বলতায় আঘাত হানেন তিনি। এমনকি মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনও সুযোগ পেয়ে স্লগ ওভারে রাখেন ভূমিকা।
ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে যাকেই খেলিয়েছে বাংলাদেশ, তারাই কিছু না কিছু অবদান রেখেছেন ম্যাচের নানান ধাপে। এক ম্যাচ বাকি থাকতে সিরিজ জেতায় বোলারদের অবদানকে আলাদাভাবে মনে করিয়ে দেন সিমন্স, 'আমি মনে করি আমাদের বোলিং ক্রমাগত উন্নতি করছে, এবং এটি এখন এমন একটি পর্যায়ে রয়েছে যেখানে আমরা জানি যে আমরা আমাদের বোলিংয়ের উপর নির্ভর করতে পারি। আমরা যে কম্বিনেশনই ব্যবহার করি না কেন (নির্ভর করা যায়), আমি মনে করি গত পাঁচ, ছয় বা সাত সপ্তাহ ধরে আমাদের বোলিং এতটাই ভালো ছিল। এটি আমাদের উন্নতির অংশ। আমি মনে করি বোলিংই গত দুটি ম্যাচে আমাদের এই অবস্থানে এনেছে। গতকাল, তারা (আফগানিস্তান) সত্যিই ভালো শুরু করেছিল এবং আমরা খেলায় ফিরে আসি। আজ, তারা ভালো শুরু করেছিল, কিন্তু আমরা মাঝে এবং বিশেষ করে শেষে ভালো বোলিং করেছি।'