গত এক-দুই বছর ধরে আমি এভাবেই খেলছি: সাইফ
রান তাড়ায় বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে দলকে পথ দেখালেন ছন্দে থাকা সাইফ হাসান। তার নৈপুণ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে চতুর্থ ফিফটি হাঁকিয়ে তিনি মারলেন সাতটি ছক্কা।
রোববার শারহাজতে তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৬ উইকেটে জেতে বাংলাদেশ। আফগানদের ছুঁড়ে দেওয়া ১৪৪ রানের লক্ষ্য তারা স্পর্শ করে ১২ বল হাতে রেখে।
তিনে নামা সাইফ ৩২ বলে ফিফটি ছুঁয়ে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ৩৮ বল মোকাবিলায় দুটি চারের সঙ্গে হাঁকান সাতটি ছক্কা। এই সংস্করণের ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ছক্কার তালিকায় রিশাদ হোসেনের সঙ্গে এখন যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছেন তিনি। রেকর্ডটি পারভেজ হোসেন ইমনের দখলে। গত মে মাসে এই মাঠেই আরব আমিরাতের বিপক্ষে নয়টি ছক্কা মেরেছিলেন তিনি।
ম্যাচসেরা হওয়ার পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের চেয়ে দলের অর্জনকে এগিয়ে রাখেন সাইফ, 'দলের জন্য অবদান রাখতে পেরে আমি খুশি। এটি আমাদের জন্য দারুণ একটি সিরিজ ছিল। আশা করছি, আমরা এই ধারাটা বজায় রাখতে পারব।'
এশিয়া কাপ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের জার্সিতে সবশেষ সাত ইনিংসে ২১টি ছক্কা হাঁকানো এই ডানহাতি ব্যাটার নিজের ধরন নিয়ে বলেন, 'গত এক-দুই বছর ধরে আমি এভাবেই খেলছি। আমি শুধু ব্যাটিংটা উপভোগ করছি, ব্যস এতটুকুই।'
নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস চোটের কারণে ছিটকে যাওয়ায় আফগানদের বিপক্ষে তিনে খেলেন সাইফ। পজিশনটির জন্য তৈরি হওয়ার বিষয়ে তার ভাষ্য, 'এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটিং পজিশন। আগের টুর্নামেন্টে আমি ওপেনিংয়ে খেলেছিলাম। কিন্তু এই সিরিজের আগে কোচ ফিল সিমন্স আমাকে স্পষ্ট পরিকল্পনা জানিয়ে দেন— আমি তিন নম্বরে ব্যাট করব। সেই অনুযায়ী আমি প্রস্তুতি নিয়েছি।'
সিরিজসেরার পুরস্কার জেতেন নাসুম আহমেদ। তিনিসহ সতীর্থ বোলারদের পারফরম্যান্স মুগ্ধ করেছে ২৬ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়কে, 'আমাদের বোলাররা দুর্দান্ত ছিল। এই মাঠটা আকারে একটু ছোট। তবুও তারা প্রতিপক্ষকে অল্পতে আটকে রেখেছে ভালোভাবে। পিচ আর ফিল্ডিং সাজানো অনুযায়ী বল করেছে। পুরো কৃতিত্বটা তাদেরই প্রাপ্য।'