আমি জুয়াড়ি নই, গণনা করে ঝুঁকি নিই: বার্সা প্রেসিডেন্ট

By স্পোর্টস ডেস্ক

দেনার অঙ্কটা বিশাল বড়। আর্থিক ঘাটতির কারণে খেলোয়াড়দের বেতনও ঠিকমতো দিতে পারছে না বার্সেলোনা। এমনটাই জানা প্রায় সকল ফুটবল ভক্তদের। কিন্তু এরমধ্যেই চলতি মৌসুমের দল-বদলের বাজারে সবচেয়ে বেশি চমক দেখিয়েছে কাতালানরাই। এরজন্য অবশ্য ক্লাবের অনেক সম্পদই বিক্রি করতে হয়েছে তাদের। তবে তা গণনা করেই ঝুঁকি নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট হুয়ান লাপোর্তা।

আর্থিক অসচ্ছলতা দূর করতে প্রথমে টিভি সত্ত্বের ১০ শতাংশ বিক্রি করে বার্সেলোনা। এরপর করে আরও ১৫ শতাংশ। তাতেও পূরণ হয়নি ঘাটতি। নিজেদের স্টেডিয়াম ন্যু ক্যাম্পের নাম সত্ত্ব বিক্রি করেছে। মার্চেন্ডাইজিং খাতের ৪৯% বিক্রি করেছে। বিক্রি করেছে স্টুডিওর প্রায় ২৫ শতাংশও। তাতে ক্লাবের ভবিষ্যৎ আয় নিশ্চিতভাবে কমেছে। অর্থাৎ বেশ বড় জুয়াই খেলেছে ক্লাবটি। যদি না ক্লাবটি সফল হয় তাহলে ভরাডুবি হতে পারে ক্লাবটির।

কিন্তু এতো বড় ঝুঁকি নেওয়ার পরও এটাকে জুয়া বলতে নারাজ ক্লাব সভাপতি লাপোর্তা। গণনা করে বুঝে শুনেই ঝুঁকি নিয়েছেন বলে জানান তিনি। নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সবশেষ স্টুডিও বিক্রির প্রসঙ্গ আসতে বলেন, 'এটি (বার্সার স্টুডিওর ২৫ শতাংশ বিক্রি) এমন একটি সিদ্ধান্ত ছিল যা সত্যি বলতে, আমি করতে চাইনি। তবে এটা একটি প্রয়োজনীয়তা ছিল। আমি জুয়াড়ি নই, আমি গণনা করে ঝুঁকি নিই।'

এদিকে এবার রবার্ট লেভানদোভস্কি, রাফিনহা, আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টেনসেন, জুলস কুন্দে, ফ্র্যাঙ্ক কেসিদের দলে ভিড়িয়েছে বার্সেলোনা। এরমধ্যে তিনজনকে (লেভানদোভস্কি, রাফিনহা, কুন্দে) কিনতেই ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি। কিন্তু এখনও সবাইকে নিবন্ধন করাতে পারেনি স্পেনের শীর্ষ ক্লাবটি। নতুন করে স্টুডিও বিক্রি করায় কাজটা অনেকটাই সহজ হয়েছে। তারপরও রয়েছে শঙ্কা। যে কারণে নতুন করে দুই অধিনায়ক সের্জিও বুসকেতস ও জেরার্দ পিকের বেতন আরও এক দফা কমানোর অনুরোধ করেছে ক্লাবটি।