জন্মদিন রাঙালেন লেভানদভস্কি, ম্যাচের মোড় ঘোরালেন ফাতি

By স্পোর্টস ডেস্ক

রবার্ত লেভানদভস্কি গোলের খাতা খোলায় শুরুতেই এগিয়ে গেল বার্সেলোনা। তবে দমে না গিয়ে রিয়াল সোসিয়েদাদ ঘুরে দাঁড়াল দারুণভাবে। এরপর লম্বা সময়ের জন্য কাতালানদের পারফরম্যান্স হয়ে পড়ল বিবর্ণ। সেই বেহাল দশার পরিবর্তন ঘটল দ্বিতীয়ার্ধে আনসু ফাতি মাঠে নামায়। গোল করে ও করিয়ে বার্সাকে স্প্যানিশ লা লিগায় প্রথম জয় এনে দিলেন তিনি।

রোববার রাতে প্রতিপক্ষের মাঠে ৪-১ গোলে জিতেছে জাভি হার্নান্দেজের শিষ্যরা। আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ঘরের মাঠে ক্যাম্প ন্যুতে রায়ো ভায়েকানোর সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল তারা। দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তাদের অবস্থান তালিকার পাঁচ নম্বরে।

তারকা পোলিশ স্ট্রাইকার লেভানদভস্কি নিজের ৩৪তম জন্মদিন রাঙান জোড়া গোলে। একটি করে গোল করেন ওসমান দেম্বেলে ও ফাতি। ১৯ বছর বয়সী স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড ফাতি অ্যাসিস্ট করেন দুটি। ফেরান তরেসের বদলি হিসেবে ৬৪তম মিনিটে তিনি মাঠে ঢোকার পর ঘুরে যায় ম্যাচের মোড়। উজ্জীবিত হয়ে ওঠা বার্সেলোনা ভেস্তে দেয় স্বাগতিক সোসিয়েদাদের পয়েন্ট পাওয়ার আশা।

fati_ansu.jpg
ছবি: টুইটার

কিক-অফের পর মাত্র ৪৪ সেকেন্ড লাগে লেভানদভস্কির জাল খুঁজে নিতে। আলেক্স বালদের কাছ থেকে গোলমুখে বল পেয়ে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন তিনি। প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে বার্সার জার্সিতে বায়ার্ন মিউনিখের সাবেক ফুটবলার লেভির এটি প্রথম গোল।

সফরকারীদের উল্লাস উবে যেতে সময় লাগেনি। মাঝমাঠে ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং বল হারালে পেয়ে যায় সোসিয়েদাদ। সতীর্থের পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে বার্সেলোনার গোলরক্ষক মার্ক-অ্যান্ড্রে টের স্টেগেনকে পরাস্ত করেন আলেক্সান্দার ইসাক।

এরপর দুই দল বেশ কিছু প্রচেষ্টা চালায় গোলের। তরেসের দূরপাল্লার শট লক্ষ্যে থাকেনি। দাভিদ সিলভার শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান টের স্টেগেন। বিরতির পর ম্যাচের ৫৩তম মিনিটে বার্সার জালে বলও পাঠায় সোসিয়েদাদ। কিন্তু আইহেন মুনোজ অফসাইডে থাকায় বাতিল হয় গোলটি।

ফাতি ও রাফিনহা একসঙ্গে মাঠে নামার পর বার্সেলোনার খেলায় ফিরে আসে চেনা দাপট। দুই মিনিটের মধ্যে দুবার লক্ষ্যভেদ করে তারা। ৬৬তম মিনিটে ফাতির ব্যাকহিল থেকে বল পেয়ে কোণাকুণি শটে গোল করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড দেম্বেলে। ৬৮তম মিনিটে ফাতির পাসে গোলপোস্টের খুব কাছ থেকে নিশানা ভেদ করেন লেভানদভস্কি।

৭৯তম মিনিটে গোলদাতাদের তালিকায় নাম ওঠান ফাতি। লেভানদভস্কির ফ্লিক সোসিয়েদাদের এক ফুটবলারের গায়ে লাগার পর পেয়ে যান তিনি। ডি-বক্সের ভেতর থেকে বাকি কাজটা সেরে বার্সাকে বড় জয় পাইয়ে দেন ফাতি।