ভুটানের কাছে এক গোলে হারলেও সেমিতে খেলবে বাংলাদেশ

By ক্রীড়া প্রতিবেদক

মালদ্বীপকে হারিয়ে সমীকরণটা সহজ করে এনেছিল বাংলাদেশ। ভুটানের বিপক্ষে জিতলেই মিলতো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমি-ফাইনালের টিকিট। সেই সমীকরণ আরও সহজ করে দিয়েছে লেবানন। মালদ্বীপকে হারিয়ে দিয়েছে তারা। ফলে ভুটানের কাছে এক গোলের ব্যবধানে হারলেও সেমি-ফাইনালে খেলবে জামাল ভুঁইয়ারাই।

বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে আজ বুধবার 'বি' গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লেবানন। তাদের সঙ্গী হতে হলে এখন কেবল ভুটানের সঙ্গে বড় হার এড়ালেই চলবে। অর্থাৎ এক গোলের ব্যবধানে ব্যবধানে হারলে ১৪ বছর পর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ চারে জায়গা করে নিবে লাল-সবুজ বাহিনী।

ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশ হারলে তিন দলের পয়েন্ট হবে সমান ৩ করে। এক গোলের ব্যবধানে হারলে মালদ্বীপের সঙ্গে গোল ও গোলের ব্যবধান সমান হবে বাংলাদেশের। তবে হেড টু হেডে এগিয়ে থাকায় সেমিতে খেলবে বাংলাদেশ। তবে দুই গোলের ব্যবধানে হারলে সেমিতে লেবাননের সঙ্গী হবে মালদ্বীপ। তবে বাংলাদেশকে তিন গোলের ব্যবধানে হারাতে পারলে শেষ চারে জায়গা পাবে ভুটান।

তবে এই কাজটা বেশ কঠিনই ভুটানের জন্য। বাংলাদেশের বিপক্ষে সাফে জয়ের ইতিহাসই নেই তাদের। একটি মাত্র জয়। তাও ২০১৬ সালে এএফসি এশিয়ান কাপের প্রাক-কোয়ালিফায়ারের ম্যাচে। সেবার ৩-১ গোলের ব্যবধানে জিতেছিল তারা। দুই দলের মোট ১৩ বারের মোকাবেলায় ওই একটি জয়ই তাদের।

সবমিলিয়ে তাই শেষ চারে ওঠার সমীকরণ বেশ সহজই বাংলাদেশের জন্য। তার উপর এই আসরে ভুটানের দুর্বল রেকর্ডও আশাবাদী করছে জামালদের। সাফের ফাইনালে কখনোই খেলেনি ভুটান। মোট ২৪টি ম্যাচ খেলে কেবল একটি জয় ও একটি ড্র করতে পেরেছে তারা। ২০০৮ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিলেছে একমাত্র জয়টি। সেই সংস্করণেই বাংলাদেশের বিপক্ষে ড্র করে সেমিফাইনালে উঠেছিল তারা।

এদিকে ভুটানের বিপক্ষে মালদ্বীপ ম্যাচের মতোই পরিকল্পনায় স্থির থাকতে পারেন বাংলাদেশের স্প্যানিশ কোচ হ্যাভিয়ার ক্যাবরেরা। কোনো প্রতিষ্ঠিত স্ট্রাইকার ছাড়া অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াকে খেলাতে পারেন ফলস নাইনে। তবে একাদশে আসতে পারে দুটি পরিবর্তন। চোট পাওয়া তারিক কাজী ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিমের জায়গায় রহমত মিয়া ও শেখ মুরসালিনকে দেখা যেতে পারে মূল একাদশে।