চা-শ্রমিকদের মজুরি
চা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির আন্দোলন ও বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার
২০২৩ সালের গেজেট অনুযায়ী ৫ শতাংশ মজুরি বাড়ানোর পর চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১৮৭ টাকা থেকে বেড়ে ১৯৬ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ বেড়েছে মাত্র ৯ টাকা। বর্তমান বাজারে পরিবার নিয়ে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকার জন্য এই মজুরি বৃদ্ধি শ্রমিকদের কাছে নিষ্ঠুর তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়।
২ ঘণ্টা আগে
চা বাগানে দাস প্রথা ও আমাদের দায়
ইদানিং রপ্তানি কিছুটা বাড়লেও বাংলাদেশে উৎপাদিত চায়ের প্রধান গ্রাহক স্থানীয় পর্যায়ের ভোক্তা। দেশের বাজারে যেসব উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান চা বাজারজাত করছে, তাদের নির্ধারণ করা দামেই বিনা বাক্যে তা কিনছি আমরা।
২১ আগস্ট ২০২২, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
কেন আন্দোলন করছেন ১ লাখ চা শ্রমিক?
টং দোকান থেকে দামি রেস্তোরাঁ, ছেলে থেকে বুড়ো- প্রায় সব বয়সী মানুষের কাছে চা সমানভাবে জনপ্রিয়। কিন্তু এই চা উৎপাদনের সঙ্গে যারা জড়িত সেই মানুষগুলোর জীবন আসলে কেমন? সারাদিন চা বাগানে অমানবিক পরিশ্রমের পরও ন্যায্য মজুরি পাচ্ছেন না বলে দাবি করছেন চা শ্রমিকরা। তাদের এই দাবি কতটুকু যৌক্তিক?
১৮ আগস্ট ২০২২, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
১২০ টাকা মজুরিতে ৮ ঘণ্টার পারিশ্রমিক বৈষম্যমূলক, সংবিধান পরিপন্থি: টিআইবি
সামান্য কিছু সুযোগ-সুবিধাসহ দৈনিক মাত্র ১২০ টাকা মজুরিতে আট ঘণ্টা, কখনো-বা আরও বেশি সময় ধরে কাজের বিপরীতে চা-শ্রমিকদের সামান্য পারিশ্রমিক বৈষম্যমূলক ও সংবিধান পরিপন্থি বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
১৬ আগস্ট ২০২২, ১২:২৭ অপরাহ্ন