মুকুন্দপুর, হরষপুর, আখাউড়া
সায়ীদ আহমেদ বীর প্রতীকের নেতৃত্বে মুকুন্দপুর বিজয়
মুক্তিযুদ্ধের পুরো নয় মাস দেশজুড়ে প্রায় প্রতিটি জেলায় সংঘটিত হয়েছে সম্মুখ যুদ্ধ, এসেছে বিজয়। তার মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৫ সহস্রাধিক মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিং নিয়ে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলো। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মহকুমার প্রায় ১০ লাখ মানুষই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাঞ্চলীয় জোনের প্রধান জহুর আহমেদ চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পুরাতন কাচারী ভবন সংলগ্ন তৎকালীন মহকুমা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। এরই মাঝে বর্তমান বিজয়নগর উপজেলার মেরাশানী, সিঙ্গারবিল, মুকুন্দপুর, হরষপুর, আখাউড়া উপজেলার আজমপুর, রাজাপুর এলাকা মুক্তিবাহিনীর দখলে চলে আসে ১৯ নভেম্বরের মধ্যে। এই বিজয়ের অধিনায়ক ছিলেন মেজর জেনারেল (অব) সায়ীদ আহমেদ। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অসীম সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করেন।
২১ নভেম্বর ২০২২, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন