মূল্যস্ফীতি

আগামীর মুদ্রানীতি: জিডিপি নয়, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ হোক প্রধান লক্ষ্য

তখন লকডাউনের সময়। ২০২০-এর এপ্রিল। ভয়ঙ্কর এক ভয়ের মধ্য দিয়ে জীবন চলছিল। পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা সবাই অন্ধকারে। ওই সময় অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি নিয়ে ডেইলি স্টারের বাংলা বিভাগের জন্য একটি প্রবন্ধ লিখেছিলাম। ‘করোনাভাইরাস ও যুদ্ধকালীন অর্থনীতি’। লেখাটি ওই বছর ১৫ এপ্রিল প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়েছিল, অর্থনৈতিক সংকটের কারণে পণ্যের উপর মানুষের চাহিদা কমবে। এতে তৈরি হবে ডিফ্লেশন বা মূল্য সংকোচনের পরিস্থিতি। কিন্তু, মহামারির পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তৈরি হবে তীব্র মূল্যস্ফীতি। এভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য গণক হওয়ার প্রয়োজন নেই। গত ১০০ বছরে সংঘটিত বৈশ্বিক মন্দাগুলো বিশ্লেষণ করলে কয়েকটি সংকটে এই ধরনের পরিস্থিতি দেখা যায়।
২৫ জুন ২০২২, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন

৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি মে মাসে ৭.৪২ শতাংশ

মে মাসে দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী গত ৮ বছরের মধ্যে দেশে এটাই সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি।
১৯ জুন ২০২২, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন

অস্বস্তির বাজেট চেপে ধরার বাজেট

যখন ভরসার প্রয়োজন ছিল, তখন তিনি ভয় পাইয়ে দিলেন।
১০ জুন ২০২২, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন

মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ৫.৬ শতাংশ

আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরে মুদ্রাস্ফীতির হার শতকরা ৫ দশমিক ৬ শতাংশের লক্ষ্য সরকারের।
৯ জুন ২০২২, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

১৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি এপ্রিলে

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে, খাদ্য দ্রব্য ও খাদ্য বহির্ভুত জিনিসপত্রের ক্রমাগত মূল্য বৃদ্ধির ফলে এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.২৯ শতাংশে। যা গত ১৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। 
১৮ মে ২০২২, ০৬:২২ অপরাহ্ন

খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি কমেছে: বিবিএস

সম্প্রতিকালে বাজারে খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়লেও সরকারের পরিসংখান এজেন্সি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে এপ্রিল মাসে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি ১০ বেসিস পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২৪ পয়েন্টে। তার আগের মাসে এই হার ছিল ৬ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট। 
১৮ মে ২০২২, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন