রবীন্দ্রনাথ-নজরুল

গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও গীতিকবিদের দুঃখ

আমাদের বাবার মতো গাজী মাজহারুল আনোয়ারের বাবাও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। এটাই স্বাভাবিক-সঙ্গত ও বাঙালি জীবনের শাশ্বত বৈশিষ্ট্য। উপরন্তু সন্তান যদি ছেড়ে দেয় একইসঙ্গে সম্মানজনক ও অর্থোপার্জনের বিস্তর সুযোগ থাকার নিশ্চিত পেশা সংলগ্ন লেখাপড়া। এবং সেসবকে শিঁকেয় তুলে রেখে সৃজনশীল কাজে-বিশেষ করে গান লেখাকে যখন বেছে নেয় ধ্যান-জ্ঞান হিসেবে, তখন একজন বাবা কতোটা চিন্তাগ্রস্ত হন, তা শুধু এমন দশাগ্রস্ত একজন বাবার পক্ষেই অনুভব ও উপলব্ধি করা সম্ভব। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের বাবার মধ্যেও আমরা দেখেছি একজন সন্তান স্নেহে অন্ধ বাবার অব্যক্ত দুঃখ-কষ্ট ও চাপা ক্ষোভের উপস্থিতি। গান লেখার নেশায় তিনি যখন ছাড়তে চলেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের লেখাপড়া। তখন বাবা এক চিঠিতে জানিয়েছিলেন, ‘ইউ আর মাই লস্ট গেম’।
৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:১১ পূর্বাহ্ন