শামসুর রাহমান
কবিদের নতুনভাবে আবিষ্কারের আহ্বান
সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে গতকাল শনিবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কবি ও সাংবাদিক সাজ্জাদ শরিফ এ আহ্বান জানান।
১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:২৯ অপরাহ্ন
কবিতায় সমাজ বাস্তবতা যেভাবে আসে
সমকালীন কবিতা বলতে কোন সময়ের কবিতাকে বোঝাবে- তা নির্ণয় করা কঠিন। যেমনটা কঠিন আধুনিকতার শুরু ও শেষ ঠাহর করা। সমকালীন কবিতায় কী রবীন্দ্রনাথ আসবে, না জীবনানন্দ, নজরুল, জসিম উদদীন থেকে শুরু হবে, নাকি শামসুর রাহমান আল মাহমুদদের সময় থেকে, নাকি সত্তর দশকের পরে এখনকার শূন্য দশক কেবল সমকালের হিসেবে আসবে? এ নিয়ে তর্ক বিতর্ক করা যাবে অনেক।
১০ জানুয়ারি ২০২৩, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
নূর হোসেনের দেশে আমাদের গণতান্ত্রিক মন
শহীদ নূর হোসেন। যার বুকে ও পিঠে লেখা ছিল, ‘স্বৈরাচার নীপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক।’ শামসুর রাহমান তাকে নিয়ে লিখেছিলেন অমর কবিতা, ‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়।’ নূর হোসেন কেবল একটা নাম নয়। কেবল একটা পোস্টার নয়, বাঙালির গণতান্ত্রিক মন, মনন ও বোধের প্রতীক। নূর হোসেনই বাংলাদেশ। যে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে গণতন্ত্রকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক বাংলাদেশ। নূর হোসেন হচ্ছে সেই বাংলাদেশের সকল মানুষের গণতান্ত্রিক আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক ও প্রতিভূ।
১৩ নভেম্বর ২০২২, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
‘কেবলি দৃশ্যের জন্ম হয়’
‘নতুন’ ঢাকার রাজপথ দাপিয়ে বেড়ানো ছবির এই ঘোড়াগুলো জীবনানন্দ দাশের ‘মহীনের ঘোড়াগুলো’ কি না- তা জানা যায়নি। তবে এটা বলা যায়, ঠাসবুনটের এই ঊষর নগরে ‘কার্তিকের জ্যোৎস্নার প্রান্তরে’ ঘাস খাওয়ার কোনো সুযোগ নেই এই ঘোড়াগুলোর। তবুও তারা ‘কেবলি দৃশ্যের জন্ম’ দিয়ে চলে এই স্মৃতির নগরে।
১৯ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
শামসুর রাহমান যেভাবে ‘আমাদের কবি’ হয়ে উঠলেন
তাঁর বাড়িতে কোনো কারণ ছাড়াই অনেকবার গিয়েছি আমি। একা গিয়েছি, বন্ধুদের সঙ্গে দল-বেঁধে গিয়েছি; নিমন্ত্রিত হয়ে গিয়েছি, আবার বিনা নিমন্ত্রণেও গিয়েছি; সকালে-দুপুরে-বিকেলে এমনকি মধ্যরাতেও তার বাড়িতে হানা দিয়েছি। কোনো সংকোচ ছিল না, দ্বিধা ছিল না। এমন এক পরিবেশ তিনি তৈরি করে রেখেছিলেন যে, তার বাড়িতে যাওয়ার জন্য কেবল ইচ্ছেটুকুই যথেষ্ট ছিল। দুঃসহ ট্রাফিক জ্যাম, শহরময় কালো ধোঁয়া-ধুলো আর যন্ত্রদানবের বিরামহীন বিকট উচ্চ শব্দ- এইসব পেরিয়ে তার বাড়ি গিয়ে পৌঁছালে শরীর ও মনজুড়ে এক ধরনের প্রশান্তি ছড়িয়ে পড়তো। শ্যামলীর এক নম্বর সড়কে তার ছোট্ট দোতলা বাড়িটি নির্জন-শান্তিময়। আর তার ঠোঁটজুড়ে সারাক্ষণ মৃদু হাসি। যেন সারাদিনই তিনি প্রস্তুত হয়ে থাকতেন চেনা-অচেনা, আমন্ত্রিত-অনাহুত অতিথিদের সাদর সম্ভাষণ জানাতে। তিনি শামসুর রাহমান। আমাদের কবি।
১৭ আগস্ট ২০২২, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন