হুমায়ুন আজাদ

হুমায়ূন আহমেদ ও তার সাহিত্যশক্তি

হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখক। সবচেয়ে খ্যাতিমান বললেও অত্যুক্তি হবে না। তবে সাহিত্যের সিরিয়াস পাঠকসমাজ হুমায়ুনকে যে খুব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন- তা নয়। অনেক সাহিত্য সমালোচক তাকে মূলধারার লেখক বলে মানতেও চান না। তাদের যুক্তি হলো- জনপ্রিয়তা সাহিত্যের শিল্পমূল্য যাচাইয়ের মানদণ্ড নয়। হুমায়ুন আজাদের মতো প্রথাবিরোধী লেখকেরা তাকে সিরিয়াস লেখক মানতে রাজি নন। হুমায়ুন আজাদের মন্তব্যটি বেশ তির্যক। তিনি বলেন, ‘হুমায়ুন আহমেদ কোনও ঔপন্যাসিক নন, অপন্যাসিক। তিনি পাঠকের রুচি নষ্ট করেছেন।’ ইমদাদুল হক মিলনকেও অপন্যাসিক বলেছেন তিনি। তাই বলে তার মূল্যায়নকে আমরা বেদবাক্য জ্ঞান করতে পারি না।
১৩ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন

হুমায়ুন আজাদকে কেন মনে রাখি

হুমায়ুন আজাদ এখনো কি প্রাসঙ্গিক? কতটা প্রাসঙ্গিক? প্রশ্নটিই মাথায় এলো। তারুণ্যের উদ্দীপ্ত দিনগুলোতে আমার মতো অনেকের কাছে যা ছিল অবান্তর ও অপ্রাসঙ্গিক। কিন্তু বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবিতার সাংস্কৃতিক দায় থেকে প্রশ্নটির জবাব খুঁজতেই হয়। খুব সরলভাবে দেখলে, বলা যায়, হুমায়ুন আজাদ প্রাসঙ্গিকতা হারাননি; তার প্রমাণ মৃত্যুপরবর্তীকালে হুমায়ুন আজাদের পাঠক সংখ্যার হ্রাস ঘটেনি, আবার বৃদ্ধিও ঘটেনি; যেন একটি স্থির কাঠামোতে এসে থেমে গেছে। কিন্তু তার চিন্তা ও মতের খণ্ডনে অনেকেই তৎপর।
১২ আগস্ট ২০২২, ০২:৪৪ অপরাহ্ন