আউট হয়ে ফেরার পথে দরজায় লাথি মারলেন মাহমুদউল্লাহ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝে একমাত্র মাহমুদউল্লাহ রিয়াদই খেলছিলেন আস্থার সঙ্গে। সতীর্থরা যখন ছিলেন আসা-যাওয়ার মিছিলে, তখন একপ্রান্ত আগলে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি দেওয়ার প্রতিজ্ঞা মিলছিল তার ব্যাটে। কিন্তু ফিফটির সুবাস পাওয়ার পর গড়বড় করে ফেললেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।

শনিবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে মোহামেডানের ইনিংসের ৩৭তম ওভারের প্রথম বলে স্ট্রাইকে ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবের বাঁহাতি স্পিনার এনামুল হক জুনিয়র ফেলেছিলেন ভালো লেংথে। তবে ক্রিজে পড়ার পর আস্বাভাবিকভাবে নিচু হয়ে যায় বলটি। কাট করার চেষ্টায় ব্যর্থ হন মাহমুদউল্লাহ। তার ব্যাট ছুঁয়ে বল জমা পড়ে উইকেটরক্ষক জাকির হাসানের গ্লাভসে। শেষ হয় মাহমুদউল্লাহর লড়াই। ৫২ বলে সমান দুটি করে চার ও ছক্কায় তিনি আউট হয়ে যান ৪৮ রান করে।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের সাজঘরে ফেরার পথে রাজ্যের হতাশা জেঁকে ধরে মাহমুদউল্লাহকে। কিছুতেই যেন আউট হওয়া মানতে পারছিলেন না বাংলাদেশ জাতীয় দলের এই তারকা। এক পর্যায়ে মেজাজও হারিয়ে ফেলেন তিনি। সাজঘরে ঢোকার আগে দরজায় সজোরে লাথি মেরে বসেন তিনি!

mahmudullah
ছবি: স্টার

মাহমুদউল্লাহর এমন কাণ্ডে মাঠে উপস্থিত অনেকেই বিস্মিত হয়ে পড়েন। সাজঘরের দরজায় লাথি মারা ক্রিকেটীয় আচরণের পরিপন্থী হওয়ায় তাকে ম্যাচ রেফারির তলব করার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। জুটতে পারে শাস্তিও।

তিনে নামা মাহমুদউল্লাহ যখন সাত নম্বর ব্যাটার হিসেবে মাঠ ছাড়েন, তখন মোহামেডানের সংগ্রহ ছিল ১৩৯ রান। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শেষ পর্যন্ত তারা গুটিয়ে যায় ১৪৩ রানে। তাদের শেষ ৫ উইকেটের পতন ঘটে কেবল ৪ রানের মধ্যে!

মোহামেডানকে গুঁড়িয়ে দিতে মুখ্য ভূমিকা রাখেন রূপগঞ্জ টাইগার্সের এনামুল জুনিয়র। তিনি ৫ উইকেট নেন ৪১ রান খরচায়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন তরুণ পেসার মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। ২৮ রানের বিনিময়ে তিনি পান ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট শিকার করেন নাসুম আহমেদ ও মোহাম্মদ শরিফউল্লাহ। বাকিটি রানআউট।