আগের ম্যাচগুলোতে যে কৌশল না নেওয়ার আক্ষেপ অস্ট্রেলিয়ার

ক্রীড়া প্রতিবেদক

উইকেট ভীষণ মন্থর ও টার্নিং। পরিস্থিতি বুঝে বাংলাদেশ শুরু থেকেই এখানে খেলিয়েছে মাত্র দুই পেসার। এরমধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান তো বেশিরভাগই বলই দিয়েছেন স্লোয়ার। এমন উইকেটে প্রথম তিন ম্যাচে পেসারদের দিয়েই বেশিরভাগ ওভার করায় অস্ট্রেলিয়া। চতুর্থ ম্যাচে এসে কৌশল বদলে ফল পাওয়ার পর মিচেল সোয়েপসন বলছেন, আগেই ওই কৌশল নেয়া যেত।

টানা তিন হারের পর শনিবার রাতে বাংলাদেশকে ৩ উইকেটে হারায় অস্ট্রেলিয়া। এই ম্যাচে একাদশে ঢুকে ৪ ওভার বল করে মাত্র ১২ রানে ৩ উইকেট নেন লেগ স্পিনার সোয়েপসন।

অফ স্পিনার অ্যাস্টন টার্নার ৪ ওভার বল করে দেন কেবল ২২ রান। ৪ ওভার বল করে ২২ রানে ১ উইকেট নেন বাঁহাতি স্পিনার অ্যাস্টন অ্যাগার। অর্থাৎ তিন স্পিনার মিলেই করেন ১২ ওভার। দুই পেসারকেও প্রচুর 'নাকল' বল করতে দেখা গেছে। তাতে বাংলাদেশ আটকে যায় ১০৪ রানে।

অথচ প্রথম ম্যাচে ১২ ওভারই বল করেছিলেন অজি পেসাররা। দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ১৮.৪ ওভারে রান তাড়া করে ফেলেছিল, সেই ম্যাচেও ১০ ওভারের বেশি বল করেন পেসাররা। সিরিজ নিশ্চিত কর তৃতীয় ম্যাচেও ১১ ওভার বল করেন পেসাররা। এবং পেসাররাই স্পিনারদের তুলনায় ছিলেন খরুচে। 

রোববার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সোয়েপসনের কণ্ঠের আগের ম্যাচে এই কৌশল কাজে না লাগানোর আক্ষেপ ঝরেছে,  'হ্যাঁ, ভালো প্রশ্ন। আমার মনে হয় কৌশলটা আমাদের কাল কাজে লেগেছে। অ্যাস্টন টার্নার পুরো ৪ ওভার বল করেছে। ১২ ওভার আমরা স্পিন করিয়েছি যা আমাদের সাফল্য পেতে কাজে দিয়েছে। হয়ত এটা আমরা আগের ম্যাচগুলোতে করতে পারতাম। দেখেন, ভিন্নরকম পরিস্থিতি ভিন্নরকম ফল আসে, সেরকম করে খেলতে হয়। স্পিনারদের দিয়ে বেশি ওভার করানো কাল যেমন আমাদের ফল দিয়েছে।'

অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার টার্নারকে দিয়ে প্রথম দুই ম্যাচ বল করায়নি অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় ম্যাচে তিনি করেন মাত্র ১ ওভার। চতুর্থ ম্যাচে গিয়ে ৪ ওভার বল করতে পারেন তিনি। পরিস্থিতি বিচারে যা হয়েছে কার্যকর।

সোয়েপসনের কথায় আভাস সোমবার শেষ ম্যাচেও একই কৌশলে হাঁটবে তাদের দল। সিরিজ হেরে গেলেও ব্যবধান কমাতে মরিয়া তারা।