টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে তাইজুলের উন্নতি, ব্যাটসম্যানদের সবার অবনতি
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দলের অবস্থা ছিল বেহাল। চরম ব্যাটিং ব্যর্থতায় দুই টেস্টেই বড় ব্যবধানে হারে মুমিনুল হকের দল। তবে দ্বিতীয় টেস্টে খেলে বল হাতে ঝলক দেখানোর ফল পেয়েছেন তাইজুল ইসলাম। পোর্ট এলিজাবেথে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট নেওয়ায় র্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি হয়েছে তার। তবে বাজে ব্যাটিংয়ের কারণে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা সবাই পিছিয়েছেন।
গত সপ্তাহের পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে প্রকাশিত টেস্ট বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছেন এই বাঁহাতি স্পিনার ২৪ নম্বর থেকে এগিয়ে তিনি এখন ২২তম স্থানে। টেস্টে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে ৬৩৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তিনিই সবার উপরে।
পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৩৫ রানে ৬ উইকেট নেন তাইজুল। দ্বিতীয় ইনিংসেও নেন ৩ উইকেট। তাতে উন্নতির দেখা পেলেন তিনি। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে উন্নতি হয়েছে সৈয়দ খালেদ আহমদেরও। একশোর বাইরে থাকা এই পেসা এখন প্রথমবারের মতো ঢুকেছেন সেরা একশোতে। তার অবস্থান ৯৮।
এই সিরিজজুড়ে সাদামাটা বল করা মেহেদী হাসান মিরাজের অবনতি হয়েছে। ৩ ধাপ পিছিয়ে এখন তিনি ৩৪ নম্বরে। ইবাদত হোসেনেরও অবনতি হয়েছে। ৬ ধাপ নেমে তিনি এখন ৮৫ নম্বরে।
পুরো সিরিজ জুড়ে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের কাবু করা কেশব মহারাজ ৭ ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন ২১ নম্বরে। ৭ বছর পর টেস্টে ফেরা প্রোটিয়া অফ স্পিনার সাইমন হার্মার বাংলাদেশের বিপক্ষে আলো ছড়িয়ে ২৬ ধাপ এগিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ৫৪ নম্বরে।
টেস্টে বোলারদের র্যাঙ্কি শীর্ষ অবস্থানগুলো আগের মতই অপরিবর্তিত। এক থেকে পাঁচে যথাক্রমে আছেন প্যাট কামিন্স, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, জাসপ্রিট বুমরাহ, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও কাইল জেমিসন।
দারুণ ছন্দ নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে হতাশ করা লিটন দাস পেয়েছেন খারাপ খবর। আরও তিন ধাপ পিছিয়ে তিনি এখন ২০ নম্বরে। বাংলাদেশের মধ্যে তিনিই অবশ্য সবার উপরে। এক ধাপ পিছিয়ে মুশফিকুর রহিম ২৯, দুই ধাপ পিছিয়ে তামিম ইকবাল ৩৫ নম্বরে। ছয় ধাপ পতন হয়েছে অধিনায়ক মুমিনুল হকের। জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজার সঙ্গে যৌথভাবে তিনি আছেন ৫০ নম্বরে।
ব্যাটসম্যানদের শীর্ষ র্যাঙ্কিংয়েও বদল আসেনি যথারীতি সেরা পাঁচে আছেন মারনাশ লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, কেন উইলিয়াসন, জো রুট ও বাবর আজম।