ডমিঙ্গোকে নিয়ে খেলোয়াড়দের অভিযোগ আছে, জানালেন মাশরাফি
প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর সঙ্গে সম্পর্কটা একদমই ভালো নয় সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজার। দুজনের নানা কথায় সেটা আঁচ পাওয়া গেছে অনেকবার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর কোচদের নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছিলেন মাশরাফি। ডমিঙ্গোর এই তারকার প্রসঙ্গ উঠলে দলের বাইরের কাউকে নিয়ে কথা বলবেন না বলে এড়িয়ে গেছেন। এবার মাশরাফি জানালেন, জাতীয় দলের বর্তমান খেলোয়াড়দের নাকি ডমিঙ্গোকে নিয়ে অভিযোগ আছে।
এবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে খেলবেন মাশরাফি। চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু করেন অনুশীলন। শুক্রবার প্রিমিয়ার লিগে মাঠে ফেরার কথা অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারের।
মাশরাফি মাঠে ফেরার দিনেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরিয়নে প্রথম ওয়ানডেতে নামবে বাংলাদেশ। এই সিরিজের আগে আরও একবার কোচ নিয়ে নিজের মতামত দিলেন ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সফলতম অধিনায়ক।
মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন সেরে বেরিয়ে যাওয়ার সময় গণমাধ্যমকে বলেন ডমিঙ্গোর সার্বিক পারফরম্যান্স খারাপের দিকে, 'আমরা ঘরের মাঠে যেসব ম্যাচ হেরেছি, শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, আফগানিস্তানের সঙ্গে টেস্ট ম্যাচ… অনেক কিছুই আছে। আমি মনে করি এখন পর্যন্ত ওর পারফরম্যান্স খারাপের দিকেই বেশি। দেখা যাক দক্ষিণ আফ্রিকায় যদি অসাধারণ কিছু করে আসে… ওর সংস্কৃতি, ও পরিবেশ জানে, উইকেট সম্পর্কে ভালো ধারণা। আশা করছি ও একটা বড় ভূমিকা পালন করবে। সেটা করতে পারলে খুবই ভালো হবে।'
'সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, তাকে নিয়ে খেলোয়াড়দের অভিযোগ আছে। প্রথম যে বিষয়, সেটা হচ্ছে আপনার ড্রেসিংরুমে খুশি থাকা। সেটা যদি থেকে থাকে তাহলে ভালো। আমার কাছে সেটা (ড্রেসিংরুম খুশি) মনে হয়নি। এজন্য খোলা মনে বললাম এটা।'
'রাসেল ডমিঙ্গোর বাংলাদেশ ক্রিকেটে সাফল্যের পাল্লা বেশি ভারি নয়। যেটা স্টিভ রোডস বাদ যাওয়ার পরও তার ছিল। একেক কোচের কাছে একেক রকম। বিসিবি যদি তাকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে তাহলে খুব ভালো। এটা বিসিবির সিদ্ধান্ত।'
সামনেই আছে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে পর পর দুই বিশ্বকাপ। ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত ডমিঙ্গোর সঙ্গে বিসিবির চুক্তি আছে। এই সময়ের আগে তাকে সরিয়ে দেওয়া না দেওয়া নিয়ে অবশ্য মন্তব্য করতে চাননি মাশরাফি, 'এটা তো আসলে বিসিবির সিদ্ধান্ত। আমার কাছে মনে হয়েছে তাই বলছি, এখন পর্যন্ত ওর ব্যর্থতার পাল্লা ভারি বেশি।'