দশম উইকেটে ৯০ রানের জুটিতে ইংল্যান্ডের ভদ্রস্থ পুঁজি

স্পোর্টস ডেস্ক

ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসারদের তোপে ১১৪ রান তুলতে ৯ উইকেট খুইয়ে ফেলল ইংল্যান্ড। সেই মহাবিপর্যয়ে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন জ্যাক লিচ ও সাকিব মাহমুদ। মূল ব্যাটারদের অসহায় আত্মসমর্পণের পর শেষ উইকেটে তারা গড়লেন ২১৮ বলে ৯০ রানের জুটি। তাদের অসাধারণ নৈপুণ্যে স্কোরবোর্ডে ভদ্রস্থ পুঁজি জমা করল সফরকারীরা।

গ্রেনাডায় সিরিজের তৃতীয় টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে ইংলিশরা অলআউট হয়েছে ২০৪ রানে। টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল দলটি। ঘাসের ছোঁয়া থাকা উইকেটের সুবিধা আদায় করে তাদের ওপর তাণ্ডব চালায় ক্যারিবিয়ান পেসাররা।

দশে নামা বাঁহাতি স্পিনার লিচ ১৪১ বলে করেন ৪১ রান। ১১ নম্বরে নামা ডানহাতি পেসার সাকিব ১১৮ বলে করেন ৪৯ রান। স্বাগতিকদের ডানহাতি পেসার জেইডেন সিলস ৪০ রানে ৩ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল। ২ উইকেট করে শিকার করেন কেমার রোচ, কাইল মেয়ার্স ও আলজারি জোসেফ। সাকিবকে ফিরিয়ে প্রতিপক্ষের ইনিংস গুটিয়ে দেন অনিয়মিত বোলার জার্মেইন ব্ল্যাকউড।

ব্যাটিংয়ে নেমে ইংল্যান্ড শুরু করেছিল দেখেশুনে। তবে ১৩তম ওভারে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর শুরু হয় ব্যাটারদের আসা-যাওয়া। জ্যাক ক্রলিকে ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের ক্যাচ বানান একাদশে ফেরা মেয়ার্স। নিজের পরের ওভারে বড় শিকার করেন তিনি। জো রুট তার মিডিয়াম পেসে পরাস্ত হয়ে ক্যাচ দেন উইকেটরক্ষক জশুয়া ডা সিলভার গ্লাভসে। ৭ বল খেলে রানের খাতা খুলতে পারেননি ইংলিশ দলনেতা।

ড্যান লরেন্সকে সিলস এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলার পর বেন স্টোকসের ফিরতি ক্যাচ লুফে নেন জোসেফ। এক প্রান্ত আগলে ছিলেন ওপেনার অ্যালেক্স লিস। তার লড়াইয়ের অবসান ঘটান রোচ। ৯৭ বলে ৩১ রান করেন লিস। জোসেফের শিকার হয়ে জনি বেয়ারস্টোও ফেরেন শূন্য রানে। সিলসের ভেতরে ঢোকা বলে বেন ফোকস হন বোল্ড। ৬৭ রানে পড়ে যায় সফরকারীদের ৭ উইকেট।

অষ্টম উইকেটে ক্রেইগ ওভারটনের সঙ্গে ২৩ ও নবম উইকেটে লিচের সঙ্গে ২৪ রান যোগ করেন ক্রিস ওকস। তাতে একশ পেরিয়ে যায় ইংল্যান্ড। রোচ ওভারটনের স্টাম্প উপড়ে নেওয়ার পর একই কায়দায় ওকসকে বিদায় করেন সিলস। এরপর উইন্ডিজকে হতাশায় মুড়িয়ে লিচ ও সাকিব দেখান বীরত্ব। দিন প্রায় পারই করে ফেলেছিলেন তারা। কিন্তু শেষ ওভারে হয়ে যায় গড়বড়। টাইমিং ঠিকঠাক না হওয়ায় বল স্টাম্পে টেনে আউট হন সাকিব।