নাঈম-মোসাদ্দেকের ব্যাটে জিতল আবাহনী
ফিফটি পেলেন নাঈম শেখ ও অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন। তাদের সঙ্গে কম বেশি রান পেলেন আবাহনীর প্রায় সব ব্যাটারই। তাতে রীতিমতো রানের পাহাড় গড়ল দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী দলটি। এরপর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং। তাতে দারুণ এক সেঞ্চুরি করেও শাইনপুকুরকে জয় এনে দিতে পারেননি সিকান্দার রাজা। জিতেছে আবাহনীই।
বুধবার ইউল্যাব ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের ম্যাচে শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবকে ৩৪ রানে হারিয়েছে আবাহনী লিমিটেড। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ৩৩৩ রান করে তারা। জবাবে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৯৯ রানের বেশি করতে পারেনি শাইনপুকুর।
এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে জাকের আলী অনিককে নিয়ে ৭১ রানের জুটিতে আবাহনীকে দারুণ সূচনা এনে দেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। এরপর অনিক বিদায় নিলে আরেকটি সত্তর ছাড়ানো জুটি গড়েন তিনি। হনুমা বিহারির সঙ্গে ৭২ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন নাঈম।
এরপর ১৬ রানের ব্যবধানে এ দুই সেট ব্যাটারকে ফেরায় শাইনপুকুর। তবে তৌহিদ হৃদয়কে নিয়ে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। চতুর্থ উইকেটে স্কোরবোর্ডে ১১১ রান যোগ করেন এ দুই ব্যাটার। এরপর শেষ দিকে নেমে ঝড় তোলেন আফিফ হোসেন। তাতেই বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যায় দলটি।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৮ রানের ইনিংস খেলেন মোসাদ্দেক। ৬৫ বলে ৮টি চার ও ৫টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ৮১ বলে ৬০ রানের ইনিংস খেলেন নাঈম। ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান এ ওপেনার। এছাড়া হনুমা ও হৃদয় দুই জনের ব্যাট থেকেই আসে ৪৫ রান করে। অনিক করেন ৩৫ রান। মাত্র ১১ বলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন আফিফও।
শাইনপুকুরের পক্ষে ৬১ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট নেন নাঈমুর রহমান নয়ন।
লক্ষ্য তাড়ায় রাকিন আহমেদকে নিয়ে ৫২ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন অভিষেক মিত্রা। এরপর ১০ রানের ব্যবধানে দুটি উইকেট হারালে জিম্বাবুয়ের ব্যাটার সিকান্দারের সঙ্গে দলের হাল ধরেন অভিষেক। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১৩৭ রান যোগ করেন তারা। তবে এ জুটি ভাঙতেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। শেষ দিকে গাজী তাহজিবুল ইসলাম ও আলিস আল ইসলামের ৫৬ রানের জুটিতে হারের ব্যবধান কমায় দলটি।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০৭ রানের ইনিংস খেলেন সিকান্দার। ৯৩ বলে ৮টি চার ও ৭টি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান এ ব্যাটার। অভিষেক খেলেন ৮২ রানের ইনিংস। ১০২ বলে ১১টি চারের সাহায্যে এ রান করেন তিনি। আলিস ২৪ ও তাহজিবুর ২৩ রান করেন।
আবাহনীর পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন আফিফ ও তানভির ইসলাম।