প্রিমিয়ার লিগে নাসির-বিজয়-ইমরুলের সেঞ্চুরি
ছন্দ ধরে রাখতে না পারায় বাংলাদেশ জাতীয় দল থেকে তিন ক্রিকেটারই বাদ পড়েছেন অনেক আগে। ঘরোয়া ক্রিকেট শুক্রবার একই দিনে জ্বলে উঠলেন তারা। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নিজ নিজ ম্যাচের হয়ে অসাধারণ এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ইমরুল কায়েস, এনামুল হক বিজয় ও নাসির হোসেন।
সাভারের বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে নবাগত রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন বিজয় ও নাসির। আর তিন নম্বর মাঠে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের ইমরুল কায়েস সেঞ্চুরি পান লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে।
২০১৯ সালের জুলাইতে সবশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন বিজয়। একই বছরের নভেম্বরে সবশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন ইমরুল। নাসির খেলেছেন আরও আগে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ফিনিশার খ্যাত এই অলরাউন্ডার।
বিকেএসপিতে প্রথম ম্যাচে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে ৬০ রানের ইনিংস খেলা বিজয় এদিন খেলেছেন ১২৭ রানের ইনিংস। ১২৫ বলের ইনিংসটি সাজান সমান ৮টি করে চার ও ছক্কায়। নাসিরকে সঙ্গে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ১৯৬ রানের জুটি গড়েন তিনি। লিস্ট 'এ' ক্যারিয়ারে এটা তার ১৩তম সেঞ্চুরি।
বিজয়ের আউটের পর নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে শিরোনামে থাকা নাসিরও সেঞ্চুরি তুলে নেন। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ১০৫ রানের ইনিংস খেলেন এই ব্যাটার। ক্র্যাম্পের কারণে অবশ্য মাঝে স্বেচ্ছায় অবসরে গিয়েছিলেন। শেষ ওভারে ফের ব্যাটিংয়ে নামেন। শেষ পর্যন্ত ১০৩ বলে ১৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ১০৫ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন নাসির। লিস্ট 'এ' ক্যারিয়ারে এটা তার অষ্টম সেঞ্চুরি।
বিজয় ও নাসিরের জোড়া সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩১৪ রানের বিশাল সংগ্রহ করেছে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব।
বিকেএসপির অপর মাঠে এদিন দারুণ সেঞ্চুরি তুলে নেন ইমরুলও। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা এ ব্যাটার সাইফ হাসানের সঙ্গে গড়েন ১৬৫ রানের জুটি। এরপর নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গে ৭৯ রানের আরও একটি দারুণ জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন ইমরুল। শেষ পর্যন্ত খেলেন ১২২ রানের ইনিংস। ১৩৯ বলে ১৩টি চার ও ১টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি।
ইমরুলের সেঞ্চুরির সঙ্গে সাইফ ও সোহানের হাফসেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯৭ রানের পুঁজি পেয়েছে শেখ জামাল।