প্রিমিয়ার লিগে রান করেই যাচ্ছেন নাঈম

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে এবার উড়ন্ত ছন্দে আছেন নাঈম ইসলাম। প্রথম তিন ম্যাচে নার্ভাস নাইন্টিজে আউট হওয়ার পর শেষ দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি। ষষ্ঠ ম্যাচেও জ্বলেছে তার ব্যাট। পেয়েছেন ফিফটি। সবমিলিয়ে টানা ছয় ম্যাচে পঞ্চাশোর্ধ্ব রান। তাতেই লড়াইয়ের পুঁজি মিলে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের। এরপর বাকি কাজ করেন বোলাররা। জয় পায় দলটি।

বৃহস্পতিবার সাভারের বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে সিটি ক্লাবকে ২২ রানে হারিয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৪০ ওভারে ৯ উইকেটে ২২৫ রান করে তারা। জবাবে ১৩ বল বাকি থাকতে ২০৩ রানে গুটিয়ে যায় সিটি ক্লাব।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৪৫ রানে দুই ওপেনার ইরফান শুক্কুর ও সাব্বির হোসেনকে হারায় রূপগঞ্জ। এরপর তৃতীয় উইকেটে চেরাগ জানিকে নিয়ে দলের হাল ধরেন দারুণ ছন্দে থাকা নাঈম ইসলাম। গড়েন ১০৭ রানের জুটি। এরপর শেষ দিকে তানবির হায়দারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের পুঁজি পায় রূপগঞ্জ।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫২ রানের ইনিংস খেলেন নাঈম। ৭৫ বলে ৫টি চারের সাহায্যে এ রান করেন তিনি। ৬৪ বলে ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫১ রান করেন জানি। ২৫ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় ৩৪ রানের ইনিংস খেলেন তানবির।

সিটি ক্লাবের পক্ষে ২৮ রানের খরচায় ৩টি উইকেট নেন উসমান খালিদ। ৪৬ রানের বিনিময়ে ৩টি শিকার আব্দুল হালিমেরও।

লক্ষ্য তাড়ায় দলীয় ৭৪ রানেই চার উইকেট হারায় সিটি ক্লাব। সেখানে চার নম্বর ব্যাটার হিসেব আউট হওয়া জাকিরুল আহমেদ জেমের রানই ৫৬। অপর প্রান্তে পারেননি কেউ রানের গতি বাড়াতে। এরপর অবশ্য পঞ্চম উইকেটে মইনুল ইসলাম সোহেলকে নিয়ে ৫২ রানের জুটি গড়েন আশিক উল আলম নাঈম। তবে এ জুটি ভাঙতে ফের নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। ফলে ২০৩ রানেই শেষ হয় তাদের ইনিংস।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬২ রানের ইনিংস খেলেন নাঈম। ৬৩ বলে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান তিনি। ৫০ বলে ৫৬ রান করেন জেম। ৯টি চারের সাহায্যে এ রান করেন তিনি। রূপগঞ্জের পক্ষে ২৮ রানের খরচায় ৪টি উইকেট পান জানি। ২টি শিকার মেহেদী হাসান রানার।