তুষার-রাজিনের ঝড়ো ফিফটি, শান্ত-রবিনের ফাইফার
বড় আক্ষেপ নিয়েই গত বছর ক্রিকেট ছেড়েছিলেন তুষার ইমরান। বছরের পর বছর ধরে টানা রান করেও উপেক্ষিত থেকেছেন। ক্রিকেট ছাড়লেও ব্যাটিংটা যে ভুলে যাননি তা আরও একবার প্রমাণ করলেন তুষার। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিসিবির আয়োজিত প্রদর্শনী ম্যাচেও খেলেছেন ঝড়ো এক ইনিংস। তার সঙ্গে ঝড় তুলেছেন আরেক সাবেক তারকা রাজিন সালেহও।
এ দুই তারকার সঙ্গে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেছিলেন সবুজ দলের জামাল উদ্দিন বাবুও। তবে বৃথা যায় তার ঝড়ো ফিফটি। ব্যাটারদের ম্যাচে দারুণ বোলিং করেছেন সাবেক তারকা পেসার হাসিবুল হোসেন শান্ত। ফাইফার পেয়েছেন তিনি। তার মতো ফাইফার পেয়েছেন মাহবুবুল আলম রবিনও।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটারদের প্রতি বছরই একটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। টি-টোয়েন্টি সংস্করণের এ প্রদর্শনী ম্যাচে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের একাডেমী মাঠে সবুজ দলকে ৭৪ রানে হারিয়েছে লাল দল। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৬৯ রান করে লাল দল। জবাবে ৭ বল বাকি থাকতেই ১৮৫ রানে গুটিয়ে যায় সবুজ দল।
টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামা লাল দলের ইনিংসটা বড় হয় মূলত রাজিন ও তুষারের ব্যাটেই। দারুণ এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে রাজিন করেন ৮৭ রান। ৩৭ বলে ৩টি চার ও ১০টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ৭৭ রান আসে তুষারের ব্যাট থেকে। ৩৮ বলের ইনিংসটি খেলতে ৫টি চার ও ৭টি ছক্কা মেরেছেন এ ব্যাটার। এছাড়া মাহবুবুল আলম রবিন ৩২ ও হান্নান সরকার ২৭ রান করেন।
সবুজ দলের পক্ষে ৪৫ রানের খরচায় একাই ৫টি উইকেট নিয়েছেন হাসিবুল হোসেন শান্ত। ২টি উইকেট পান সৈয়দ রাসেল।
লক্ষ্য তাড়ায় রবিনের তোপে পড়ে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সবুজ দল। নয় নম্বরে নামা জামাল উদ্দিন বাবু ছাড়া সে অর্থে তেমন কেউ দায়িত্ব নিতে পারেননি। ২০ বলে ৬২ রানের ইনিংস খেলেন জামাল। ৬টি চার ও ৫টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। এছাড়া জাহাঙ্গীর আলম ও জাভেদ ওমর বেলিম দুই জনই করেন ৩১ রান করে।
লাল দলের পক্ষে ৩০ রানের খরচায় একাই ৫টি উইকেট পান রবিন। ২টি শিকার সানোয়ার হোসেনের।