ফরহাদের ব্যাটে বৃথা গেল ইমতিয়াজের সেঞ্চুরি
ইমতিয়াজ হোসেন তান্না যখন ব্যাট করছিলেন তখন জয়ের পথেই ছিল ব্রাদার্স ইউনিয়ন। দারুণ এক সেঞ্চুরিতে ঐতিহ্যবাহী দলটির আশা জিইয়ে রাখেন এ বর্ষীয়ান তারকা। কিন্তু এ ওপেনার আউট হতেই বদলে যেতে থাকে ম্যাচের চিত্র। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত হেরেই যায় তারা।
সোমবার সাভারের বিকেএসপিতে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ৬ রানে হারিয়েছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯৭ রান করে গাজী গ্রুপ। জবাবে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৯১ রানের বেশি করতে পারেনি ব্রাদার্স।
ইমতিয়াজ ছাড়া প্রথম সারির কোনো ব্যাটারই দায়িত্ব নিতে পারেননি ব্রাদার্সের হয়ে। অধিনায়ক আশরাফুল রানের খাতাই খুলতে পারেননি। ঘরের ছেলে মাইশুকুর রহমানও (২) ব্যর্থ। সেট হয়ে সাদিকুর রহমান, রাফসান আল মাহমুদ, আমিনুল ইসলামরা ইনিংস লম্বা করতে পারেননি।
তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে দলকে লড়াইয়ে রাখেন ইমতিয়াজ। তুলে নেন লিস্ট এ ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। খেলেন ১০৬ রানের ইনিংস। ১১৪ বলে ১৩টি চার ও ১টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। রাফসানের সঙ্গে তৃতীয় ৯২ রান যোগ করেন এ ওপেনার।
ইমতিয়াজের বিদায়ের পর ধীমান ঘোষ এক প্রান্ত আগলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। সোহাগ গাজীর সঙ্গে ৩৫ রানের জুটিও গড়েন। তবে শেষ পর্যন্ত ৬ রান দূরেই থামতে হয় তাদের। ৪০ বলে ৫টি চারের সাহায্যে অপরাজিত ৪৬ রান করেন ধীমান। গাজীর ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান। গাজী গ্রুপের পক্ষে ৭৯ রানের খরচায় ৩টি উইকেট নেন কাজী অনিক।
এর আগে ফরহাদ হোসেনের ব্যাটে বড় পুঁজিই পায় গাজী গ্রুপ। যদিও দলীয় ৪৩ রানেই দুই ওপেনারকে হারায় তারা। এরপর আকবর উর রহমানের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ১০৮ রানের জুটি গড়েন ফরহাদ। চতুর্থ উইকেটে আল-আমিন জুনিয়রের সঙ্গে ৫২ রানের আরও একটি জুটি গড়ে আউট হন ফরহাদ। পরে আকবর আলীর ক্যামিওতে বড় পুঁজিই পায় দলটি।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯২ রান করেন ফরহাদ। ৯৪ বলে ৮টি চার ও ২টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ২৩ বলে ১টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৪২ রানের ইনিংস খেলেন আকবর আলী। এছাড়া আকবর উর রহমান ৩৬, মেহেদী মারুফ ৩৩ ও আল-আমিন ৩২ রান করেন। ব্রাদার্সের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন আবু হায়দার রনি, সোহাগ গাজী ও নাঈম ইসলাম জুনিয়র।