ফিল্ডিংয়ে নামার আগে সতীর্থদের প্রেরণা যুগিয়েছিলেন সাকিব

ক্রীড়া প্রতিবেদক

১২৭ রানের পুঁজি মিরপুরের মন্থর ও টার্নিং উইকেটে লড়াই করার জন্য কম নয়। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার পেসার নাথান এলিসের হ্যাটট্রিকে বাংলাদেশের ইনিংসের শেষটা মনমতো না হওয়ায় কিছুটা শঙ্কা থেকে গিয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে ফিল্ডিংয়ে নামার আগে দলকে প্রেরণা যোগানোর কাজটা করেছিলেন সাকিব আল হাসান।

শুক্রবার পাঁচ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে ১০ রানে হারিয়ে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ, দুই ম্যাচ হাতে রেখে। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে স্বাগতিকরা তোলে ৯ উইকেটে ১২৭ রান। জবাবে অজিরা পুরো ওভার খেলে কেবল ৪ উইকেট হারিয়েও পৌঁছাতে পারে ১১৭ রান পর্যন্ত।

ম্যাচের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ জানান, ইনিংস বিরতিতে সাকিব প্রেরণা যোগান সতীর্থদের, 'আসলে যখন আমরা মাঠে নামছিলাম (বোলিং করতে), আমি চেয়েছিলাম, সাকিব কথা বলুক। সাকিব বলেছিল,যা-ই ঘটুক না কেন, আমাদের সাহস নিয়ে বোলিং করতে হবে, দ্রুত উইকেট তুলে নিতে হবে, চাপে ফেলতে হবে এবং রান রেট ৮-৯ নিয়ে যেতে হবে, যেন আমাদের সুযোগ থাকে।'

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বোলিং উপযোগী উইকেটে দুর্দান্ত নৈপুণ্য উপহার দেন বাংলাদেশের বোলাররা। বিশেষ করে, পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ছিলেন চোখ ধাঁধানো। হাফসেঞ্চুরি করে মাহমুদউল্লাহ ম্যাচসেরার পুরস্কার পেলেও ডেথ ওভারে মোস্তাফিজের বোলিং গড়ে দেয় বড় পার্থক্য। উইকেট হতে রেখে লড়াই শেষ ওভার পর্যন্ত টেনে নিয়েও হার মানে অস্ট্রেলিয়া।

উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান দেওয়া মোস্তাফিজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন মাহমুদউল্লাহ, 'আমি মনে করি, মোস্তাফিজ আবারও দারুণ কাজ করেছে। শরিফুল লেগে থেকেছে। সব বোলার তাদের পরিকল্পনা আজ ভালোভাবে বাস্তবায়ন করতে পেরেছে। তবে মোস্তাফিজ ছিল অসাধারণ।'

ফের আরেকটি লো-স্কোরিং ম্যাচ নিয়ে তার ভাষ্য, 'এটা ১৫০ রানের উইকেট ছিল না। আমি আর সাকিব যখন খেলছিলাম, তখন আমরা চিন্তা করছিলাম যে, আমাদের দুজনের একজনকে ১৬-১৭ ওভার পর্যন্ত খেলতে হবে। অন্যথায় একজন নতুন ব্যাটসম্যানের পক্ষে উইকেট খুবই কঠিন ছিল। বল ধীরে আসছিল। আর আজ তারাও কন্ডিশনটা ভালো মতো ব্যবহার করতে পেরেছে।'